বাংলাদেশ

অরিত্রীর আত্মহত্যায় ২ শিক্ষকের বিচার শুরু

রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রী অধিকারীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে আদালত।

 

বুধবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ রবিউল আলম মামলার অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

 

অভিযুক্ত দুই আসামি হলেন প্রভাতি শাখার তৎকালীন অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস ও শাখাপ্রধান জিনাত আখতার।

 

আগে মামলায় অভিযোগ গঠন দুই দফা পেছানো হয়। গত ১৬ জুন একই বিচারক ১০ জুলাই অভিযোগ গঠনের দিন রেখেছিলেন। ওইদিন দিন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন দুই আসামি।

 

গত বছরের ৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারী তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন।

 

মামলায় দিলীপ অধিকারী অভিযোগ করেন, পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষক অরিত্রীর কাছে মোবাইল ফোন পান। মোবাইলে নকল করেছে— এমন অভিযোগে অরিত্রীকে তার মা-বাবাকে নিয়ে স্কুলে যেতে বলা হয়। তিনি (দিলীপ অধিকারী) স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে স্কুলে গেলে ভাইস প্রিন্সিপাল তাদের অপমান করে কক্ষ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। মেয়ের টিসি (স্কুল থেকে ছাড়পত্র) নিয়ে যেতে বলেন।

 

পরে প্রিন্সিপালের কক্ষে গেলে তিনিও একই রকম আচরণ করেন। এ সময় অরিত্রী দ্রুত প্রিন্সিপালের কক্ষ থেকে বের হয়ে যায়। পরে বাসায় গিয়ে দিলীপ অধিকারীর দেখেন, অরিত্রী তার কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়নায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় ঝুলছে। শান্তিনগরের বাসা থেকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ৩ ডিসেম্বর বিকাল সাড়ে চারটার দিকে চিকিৎসকেরা অরিত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

মামলার পরদিন শ্রেণিশিক্ষক হাসনা হেনাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করে পল্টন থানা-পুলিশ। গেল ৯ ডিসেম্বর আদালত থেকে জামিন পান তিনি।

 

ফই/শাই/ফই
LIVE
Play
দারুচিনির ভেষজ গুণাগুণ
গাড়ির পুরনো ব্যাটারি ইজি বাইকে পুনঃব্যবহার
পেঁয়াজের দামে বেসামাল সামাজিক মাধ্যম
চীনা ইউটিউবার লি জিকি: রূপকথার দেশের কৃষক