দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে শনাক্ত ২ হাজার ৪৮৭ জন। ৩৪ মৃতের মধ্যে ৩১ জন পুরুষ, ৩ জন নারী। ♦♦ দেশে মৃতের মোট সংখ্যা দাঁড়াল ৩ হাজার ৩৯৯ জনে। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৫৭ হাজার ৬০০ জন। ♦♦ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৭৬৬ জন। আর মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩৭০ জন। ♦♦ করোনা উপসর্গ দেখা দিলে অথবা করোনা বিষয়ক জরুরি স্বাস্থ্যসেবা পেতে ৩৩৩ অথবা ১৬২৬৩ নম্বরে কল করুন এবং তথ্য পেতে www.corona.gov.bd ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।। এ ছাড়া আইইডিসিআরের ইমেইল বা ১৬২৬৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। ♦♦ www.livecoronatest.com এ আপনি ঘরে বসেই কোভিড-১৯ বা নভেল করোনা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত কি'না, তা নিজেই মূল্যায়ন করতে পারবেন। এমনকি আপনার ঝুঁকির মাত্রা ও করনীয় সম্পর্কেও জানতে পারবেন।

ফিচার

আজ জহির রায়হানের জন্মদিন

তানভীর জনি

বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের প্রবাদ পুরুষ জহির রায়হান। প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক ও গল্পকার জহির রায়হানের জন্মদিন আজ। ১৯৩৫ সালের ১৯ আগস্ট বর্তমান ফেনী জেলার সোনাগাজি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের মজুপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন জহির রায়হান।

জহির রায়হান ১৯৫৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে বাংলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। তাঁর সাহিত্যিক ও সাংবাদিক জীবন শুরু হয় ১৯৫০ সালে যুগের আলো পত্রিকায় যোগদানের মাধ্যমে। পরবর্তীতে তিনি খাপছাড়া, যান্ত্রিক, সিনেমা ইত্যাদি পত্রিকাতেও কাজ করেন। ১৯৫৬ সালে তিনি সম্পাদক হিসেবে প্রবাহ পত্রিকায় যোগ দেন।

জহির রায়হানের প্রথম উপন্যাস ‘শেষ বিকেলের মেয়ে’ ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয়। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হল ‘হাজার বছর ধরে’ ও ‘আরেক ফাল্গুন’। ‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসটির জন্য ১৯৬৪ সালে পান আদমজী সাহিত্য পুরস্কার।

চলচ্চিত্র: জীবন থেকে নেয়া

চলচ্চিত্র জগতে জহির রায়হানের পদার্পণ ঘটে ১৯৫৭ সালে। ১৯৬১ সালে তিনি রূপালী জগতে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন ‘কখনো আসেনি’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। তাঁর নির্মিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলো হল- বেহুলা, সঙ্গম, আনোয়ারা এবং জীবন থেকে নেওয়া। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ভয়াবহ চিত্র তুলে ‘স্টপ জেনোসাইড’ প্রামাণ্য চিত্র নির্মিত করেন জহির রায়হান।

বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য গল্প শাখায় তিনি ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ১৯৭৭ সালে (মরণোত্তর) একুশে পদক এবং সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৯২ সালে (মরণোত্তর) স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করেন। এছাড়া চলচ্চিত্রে তার সামগ্রিক অবদানের জন্য ১৯৭৫ সালে ১ম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তাকে মরণোত্তর বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

পুরস্কার হাতে জহির রায়হান

জহির রায়হান ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং ২১ ফেব্রুয়ারির ঐতিহাসিক আমতলা সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন। ভাষা আন্দোলন তাঁর ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল। যার ছাপ দেখতে পাওয়া যায় তাঁর বিখ্যাত চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেওয়া’ ছবিতে। তিনি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানেও অংশ নেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি কলকাতায় চলে যান এবং সেখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে প্রচারাভিযান ও তথ্যচিত্র নির্মাণ শুরু করেন। তার চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর সব অর্থ মুক্তিযোদ্ধা তহবিলে দান করেন।

স্বাধীনতার পর তাঁর ভাই শহীদুল্লাহ কায়সারকে খুঁজতে শুরু করেন তিনি।  ভাইয়ের সন্ধানে মীরপুরে যান এবং সেখান থেকে আর ফিরে আসেননি জহির রায়হান। ১৯৭২ এর ৩০ জানুয়ারির পর তাঁর আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

ব্যক্তি জীবনে জহির রায়হানের ছিল দুই স্ত্রী। একজন সুমিতা দেবী অন্যজন সুচন্দা। প্রথম স্ত্রীর ঘরে দুই ছেলে বিপুল রায়হান ও অনল রায়হান। দুজনেই প্রতিষ্ঠিত নাট্য নির্মাতা। স্ত্রী সুচন্দার ঘরে আরেক ছেলে তপু রায়হানও অভিনেতা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LIVE

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশ

আক্রান্ত
২৫৭৬০০
সুস্থ
১৪৮৩৭০
মৃত্যু
৩৩৯৯
সূত্র:আইইডিসিআর

বিশ্ব

আক্রান্ত
১৯৮২৪০৩৯
সুস্থ
১২৭৩২৫৪৬
মৃত্যু
৭২৯৯১০
সূত্র: ওয়ার্ল্ড মিটার
আজ জহির রায়হানের জন্মদিন
বৈরুত বিস্ফোরণের অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট কী পদার্থ?
এন্ড্রু কিশোরের সেরা ৫ গান
চোখে মুখে মৌমাছি নিয়ে চার ঘণ্টা!