২০২৩-২৪ অর্থবছরে আর্থিক খাতে ১৭ হাজারের বেশি সন্দেহজনক লেনদেন সনাক্ত হয়েছে। তবে, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি বলে ধারণা করা যাচ্ছে। বিএফআইইউ বলছে, এটি গত অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ২৩ শতাংশ বেশি।
দুপুরে দেশের সন্দেহজনক লেনদেন চিত্র জানাতে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট। সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। আর্থিক খাতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের সন্দেহজনক লেনদেন চিত্র জানাতে এর আয়োজন করা হয়।
বিএফআইইউ বলছে, বিগত অর্থবছরে, ১৭ হাজারের বেশি সন্দেহজনক লেনদেন সনাক্ত হয়েছে। তবে, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হবে। আর আগের অর্থবছরে যা ছিলো প্রায় ১৪ হাজার।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফেরতে তৎপরতা চলছে। কারিগরি সহায়তা চাওয়া হয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো থেকে। তবে, পাচারের টাকা ফেরত আনা একটি জটিল ও সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া।
সংস্থাটি বলছে, তাদের তৎপরতার কারণে সন্দেজনক লেনদেন সনাক্ত বেড়েছে। আর একশোর বেশি প্রতিবেদন দেশের তদন্তকারী সংস্থাগুলোকে পাঠানো হয়েছে।
এনএ/


