বাংলাদেশ

একাত্তরে ধর্ষণের দায়ে প্রথম মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কায়সার

মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা, নির্যাতন, ধর্ষণসহ ১৪টি সুর্নিদিষ্ট অভিযোগ রয়েছে সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের বিরুদ্ধে। তিনি ছিলেন তৎকালীন মুসলিম লীগের নেতা। কায়সার বাহিনী গঠন করে, বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করেন।

একাত্তরে একের পর যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করেছে কায়সার বাহিনী। যারা মূল হোতা সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার। ১৬টির মধ্যে সাতটি অভিযোগে, তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। চারটিতে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও তিনটিতে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা। খালাস দেয়া হয় দুটিতে।

একটি অভিযোগে বলা হয়েছে কায়সারের নির্দেশে অহিদ পাঠান, চেরাগ আলী, জনাব আলী ও মধু সুইপারকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

সাতজন নিরস্ত্র গ্রামবাসীকে হত্যার পরিকল্পনা, সহযোগিতা ও সরাসরি ভূমিকা রাখার অভিযোগ রয়েছে কায়সারের বিরুদ্ধে। প্রমাণ হয়েছে সাঁওতাল নারী হীরামনিকে ধর্ষণের অভিযোগ। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে আরও। এছাড়া কায়সার ও তার বাহিনী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন গ্রামে ১০৮ জনকে নির্বিচারে হত্যা করে। এসব অভিযোগে কায়সারকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে।

এদিকে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইসলামপুর থানার শাহজাহান চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যা, নায়েব আলী নামের এক ব্যক্তিকে নির্যাতন ও ১৫টি বাড়িঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের প্রমাণ পেয়েছে আদালত। গ্রামবাসীকে গণহত্যার পরিকল্পনা, সহযোগিতা ও সরাসরি ভূমিকাও রাখেন কায়সার। রয়েছে অপহরণের অভিযোগও। এসব অপরাধে তাকে দেয়া হয়েছে আমৃত্যু কারাদণ্ড।

এছাড়া হবিগঞ্জে সাধারণ মানুষের ওপর হামলা, বাড়িঘর-দোকানপাটে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের বেশকটি অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে। রয়েছে হত্যা, নির্যাতন, আটক ও অপহরণের মতো আরও বেশকিছু অপরাধ। এসব অপরাধে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারকে।

শাহনাজ শারমীন/ফই

LIVE


মোবাইল-টিভিতে চোখ, কতটা ক্ষতি হচ্ছে শিশুর!
কেন নেবেন কাউন্সেলিং সেবা?
টেইলর সুইফটের প্রতিদিনের রুটিন
আমাজন রেইন ফরেস্টের নিধন বেড়েছে ৮৫ শতাংশ