০৬/১২/২০২৫, ৯:০১ পূর্বাহ্ণ
19 C
Dhaka
০৬/১২/২০২৫, ৯:০১ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

এক্সিম ব্যাংকের সাবেক এমডি ফিরোজ হোসেন গ্রেফতার

প্রায় ৮৫৮ কোটি টাকার ঋণ বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এক্সিম ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে দুদকের সহকারী পরিচালক শাহজাহান মিরাজের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম তাকে গ্রেফতার করে।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ আগস্ট ফিরোজ হোসেনসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে ঋণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে একটি মামলা করা হয়েছিল।

এজাহারে বলা হয়েছে, ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ‘মদিনা ডেটস অ্যান্ড নাটস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান ব্যাংক কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে নিয়মবহির্ভূতভাবে বিশাল অঙ্কের এই অর্থ আত্মসাৎ করে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ওই প্রতিষ্ঠানটি কোনো প্রকার জামানত ছাড়াই এবং প্রকৃতপক্ষে কোনো পণ্য ক্রয় না করেই এক্সিম ব্যাংক থেকে ৮৫৮ কোটি টাকা ঋণ বাবদ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করে।

আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ৫(২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

এই মামলায় এর আগে অপর আসামি ও নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারকে ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর গুলশান থেকে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেফতার করেছিল।

অন্য আসামিরা হলেন: মদিনা ডেটস অ্যান্ড নাটসের প্রোপ্রাইটর মোজাম্মেল হোসাইন, এক্সিম ব্যাংকের মো. আসাদ মালেক, মোসা. জেবুন্নেসা বেগম, কাওসার আহমেদ, মোহাম্মদ আরমান হোসেন, মো. আনিছুল আলম, মো. ইছরাইল খান, মো. মঈদুল ইসলাম, মাকসুদা খানম, মো. জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, শাহ মো. আব্দুল বারি এবং মো. হুমায়ুন কবীর।

এ ছাড়াও রয়েছেন মো. নজরুল ইসলাম স্বপন (সাবেক পরিচালক ও বর্তমান চেয়ারম্যান), মো. আব্দুল্লাহ, মো. নুরুল আমিন, অঞ্জন কুমার সাহা, মো. নাজমুস ছালেহিন (সাবেক স্বতন্ত্র পরিচালক) এবং মিয়া মোহাম্মদ কাওছার আলম (সাবেক স্বতন্ত্র পরিচালক)।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : শেখ হাসিনার সাবেক পিয়ন জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকা পাচারের মামলা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন