বিপিএলের প্রথম দুই আসর অর্থাৎ ২০১২ ও ২০১৩ সালে হয়েছিল ক্রিকেটারদের নিলাম। এরপর প্লেয়ার্স ড্রাফট পদ্ধতিতে ঢুকে যায় বিসিবি। প্রায় ১২ বছর অর্থাৎ এক যুগ পর আবার হচ্ছে নিলাম।
শুরুতেই নাঈম শেখ। গত বিপিএলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহককে নিয়ে চলল সিলেট টাইটান্স, রংপুর রাইডার্স, চট্টগ্রাম রয়্যালস, নোয়াখালী এক্সপ্রেসের চতুর্মুখী লড়াই। শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে বাঁহাতি ওপেনারকে দলে ভিড়িয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস।
ঢাকা ক্যাপিটালসে ৪৮ লাখ টাকায় সাইফুদ্দিন। জাতীয় দলের অধিনায়ক লিটন কুমার দাসকে দলে নিয়েছে রংপুর রাইডার্স।নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সঙ্গে লড়াইয়ের পর ৩৫ লাখ ভিত্তিমূল্যের শরিফুল ইসলামকে ৪৪ লাখ টাকায় দলে নিয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস।
লিটন কুমার দাসের পর তাওহিদ হৃদয়কে দলে নিলো রংপুর রাইডার্স। দর হাঁকাহাঁকি করে ৩৫ লাখ ভিত্তিমূল্যের হৃদয়কে ৯২ লাখ টাকায় নিয়েছে রংপুর।
নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও সিলেট টাইটান্সের সঙ্গে লড়াইয়ের পর ৩৫ লাখ ভিত্তিমূল্যের তানজিম হাসান সাকিবকে ৬৫ লাখ টাকায় দলে নিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
এশিয়ান কাপ রাইজিং স্টারস টুর্নামেন্টে আলো ছড়ানো পেস বোলিং অলরাউন্ডারকে নিয়ে কাড়াকাড়ি হলো সিলেট টাইটান্স ও নোয়াখালী এক্সপ্রেসের। পরে এসে যোগ দিলো রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
ত্রিমুখী লড়াইয়ের পর শেষ পর্যন্ত ১৮ লাখ টাকা ভিত্তিমূল্যের ক্রিকেটারকে পেতে ৪৪ লাখ খরচ হলো রাজশাহীর।
এখন পর্যন্ত অবিক্রিত মুশফিক-রিয়াদ, মুমিনুল।
পড়ুন- দুর্নীতির অভিযোগে নয় ক্রিকেটারকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত যুক্তিযুক্ত : হাইকোর্ট

