বিজ্ঞাপন

দেশের মাটিতে খুনি হাসিনাকে ক্ষমার সুযোগ বিএনপি দেবে না : এ্যানি

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, হাসিনা গুম-খুন, অত্যাচার-নির্যাতন লুটপাট করেছে। সেই হাসিনাকে ক্ষমা করার সুযোগ দেবে না বিএনপি। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর পৌর শহীদ স্মৃতি একাডেমির বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর অনেকেই বলেছেন আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করে দেবেন। ক্ষমা করার কোনো সুযোগ নেই। অনেকেই বলে নিষিদ্ধ করেন না কেন? পথে ঘাটে কি একটা দল নিষিদ্ধ করা যায়? যদি বিচার হয়, অটোমেটিক আমাদের যে সেন্টিমেন্ট, তারা যে অত্যাচার-নির্যাতন করেছে, হাসিনা নিষিদ্ধ হয়ে গেছে, নিষিদ্ধ হয়ে যাবে। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হয়ে যাবে। তারপরও নির্বাচন যদি হয়, সংসদে বসে জনগণের সমর্থন নিয়ে আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে অফিসিয়ালি নিষিদ্ধ করা এটি আমাদেরও দাবি। এটা আমরা চাই। এই হাসিনা খুন করেছে, খুনের হুকুম দিয়েছে, অত্যাচার-নির্যাতন-লুটপাট করেছে। তাহলে হাসিনার বিচার হবে না, ক্ষমা করে দেব? ওই সুযোগ বাংলাদেশের মাটিতে বিএনপি দেবে না।

এ্যানি আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচন হলে বিএনপি যদি রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসেও আমরা এককভাবে দেশ চালাবো না। আমরা শুধু বিএনপির জন্য, বিএনপিকে ক্ষমতায় আনার জন্য আন্দোলন করিনি। জনগণের জন্য আন্দোলন করেছি, দেশের জন্য আন্দোলন করেছি, শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করেছি। নির্বাচনের মাধ্যমে জাতীয় ঐক্যমতের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।

এ্যানি বলেন, হাসিনা বলছে ‘পালাইনা’, কিন্তু পালাই গেছে। কি কারণে পালিয়েছে- উনি আপনার টাকা, আমার টাকা লুটপাট করেছে। নির্বাচন তো করে নাই, জনগণকে জিম্মি করে এমপি বানিয়েছে, মন্ত্রী বানিয়েছে, মেয়র বানিয়েছে, গডফাদার বানিয়েছে।এটা ছিল ওনাদের শাসন, এ শাসন দেখতে চাইনি বলেই এদেশে ১৬ বছর আন্দোলন করেছি। সর্বশেষ ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে হাসিনা পালিয়েছে। 

পড়ুন:এখন পর্যন্ত আ.লীগ জাতির কাছে ক্ষমা চায়নি: এ্যানি 

দেখুন:রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগের অতীত কর্মকাণ্ড মোকাবেলা করা হবে : এ্যানি |

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন