বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস কি?

করোনাভাইরাস এমন একটি সংক্রামক ভাইরাস যা এর আগে কখনো মানুষের মধ্যে ছড়ায়নি। ভাইরাসটির আরেক নাম ২০১৯-এনসিওভি।

করোনাভাইরাস হলো নিদুভাইরাস শ্রেণীর করোনাভাইরদা পরিবারভুক্ত করোনাভাইরিনা উপগোত্রের একটি সংক্রমণ ভাইরাস। এ প্রজাতির ভাইরাসের জিনোম নিজস্ব আরএনএ দিয়ে গঠিত। এর জিনোমের আকার সাধারণত ২৬ থেকে ৩২ কিলোব্যাসের মধ্যে হয়ে থাকে যা এ ধরনের আরএনএ ভাইরাসের মধ্যে সর্ববৃহৎ।

করোনাভাইরাসের অনেক রকম প্রজাতি আছে, কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ছয়টি প্রজাতি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। তবে নতুন ধরনের ভাইরাসের কারণে সেই সংখ্যা এখন থেকে হবে সাতটি।

২০০২ সাল থেকে চীনে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া সার্স বা সিভিয়ার এ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম নামের ভাইরাসের সংক্রমণে পৃথিবীতে ৭৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল, আর ৮০৯৮ জন সংক্রমিত হয়েছিল। সেটিও ছিল এক ধরনের করোনাভাইরাস।

ওয়েলকাম ট্রাস্টের চিকিৎসক জোসি গোল্ডিং জানান, সার্সের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা এখনো আমরা ভুলতে পারিনি, ফলে নতুন ভাইরাসের প্রচণ্ড ভীতির তৈরি হয়েছে। কিন্তু এ ধরনের রোগ মোকাবেলায় আমরা এখন অনেক বেশি প্রস্তুত।

করোনাভাইরাস পরিবারের এই নতুন সদস্যকে বলা হচ্ছে ‘নোভেল’ করোনাভাইরাস। সংক্ষেপে ২০১৯-এনসিওভি।

১৯৬০-এর দশকে মুরগির ব্রঙ্কাইটিসের কারণ খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মত করোনাভাইরাসের সঙ্গে পরিচিত হন।

২০১২ সালে আসে মার্স (মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিনড্রোম) করোনাভাইরাস, যে রোগে আক্রান্ত ২৪৯৪ জনের মধ্যে ৮৫৮ জনের মৃত্যু হয়।

এ পরিবারের নতুন সদস্য ‘নোভেল’ করোনাভাইরাসের মানবদেহে সংক্রমণের বিষয়টি প্রথম শনাক্ত করা হয় ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে। পরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ ভাইরাসটির নাম দেয় ২০১৯-এনসিওভি।

ফই/সাহু/ফই

LIVE


নিজের মৃত্যু কামনা করছে শিশুটি!
যেভাবে বাড়াবেন আত্মবিশ্বাস
মিনি মাফলারম্যান ও একজন অরবিন্দ কেজরিওয়াল
টাটকা রাখুন মশলাপাতি