কিশোরগঞ্জ সদরের যশোদলে দুই পক্ষের জমি বিরোধের শালিশ করায় এডভোকেট মোশাররফ হোসেন সবুজকে ইন্ধনদাতা আখ্যা দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করায় ফুসে উঠেছে এলাকাবাসী।
গত (বুধবার ১২ নভেম্বর ) কিশোরগঞ্জ সদরের স্থানীয় একটি হোটেলে মোশাররফ হোসেন রনি একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। এতে শালিশকারী এডভোকেট মোশাররফ হোসেন সবুজকে ইন্ধন দাতা বলায় তিনি বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন। উল্লেখিত জমিটি ভিপি তালিকাভুক্ত হওয়ায় জমির মুল মালিক আব্দুল মোতালিবের পুত্র বাছিরউদ্দিন গংরা অবমুক্তির জন্য সরকারকে বিবাদী করে উপযুক্ত আদালতে মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানী শেষে জমির মুল মালিকের পক্ষে আদালত রায় ও ডিক্রি প্রদান করেন। যাহার মোকদ্দমা নম্বর ৮৫/২০১৩ ( অর্পিত)।
পরবর্তীতে বাদীর চাচাত ভাই শাহাবুদ্দিন গত ১০/৯/২৩ তারিখে সহকারী কমিশনার ভুমি কিশোরগঞ্জ সদর হইতে ২১১৭৮১ নং রশিদমূলে উক্ত ভুমি সরকার হইতে লিজ নেয়। যাহা সম্পূর্ণ অবৈধভাবে লিজ নেয়া হয়েছে। বিবদমান সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত মারামারি ও মামলা মোকদ্দমা চলিয়া আসিতে থাকা অবস্থায় এলাকায় শান্তি স্থাপনের উদ্দেশ্যে গ্রামবাসীরা একটি শালিশের আয়োজন করে। এতে মোশারফ হোসেন সবুজ শালিশকারী হিসেবে উপস্থিত থেকে মিমাংসার উদ্যোগ নিলে দুই পক্ষ মেনে না নেয়ায় শালিশকারীরা দরবার শেষ না করেই চলে আসেন। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে মারামারি ও মামলা হয়।
এরই জের ধরে আড্যভোকেট মোশাররফ হোসেন সবুজকে ইন্ধন দাতা হিসেবে আখ্যা দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে একটি পক্ষ। তিনি আরো বলেন, তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগটি অসত্য ও বানোয়াট। এ নিয়ে এলাকাবাসী ক্ষোভে ফুসে উঠেছে।
পড়ুন : কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার “জিয়া সাইবার ফোর্সের” সভাপতি খায়রুল, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল

