কুয়েতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা জিলিব আল শুয়েখ। বিশাল বাংলাদেশী সম্প্রদায়ের জন্য ব্যাপকভাবে পরিচিত এই এলাকাটিতে আনুমানিক তিন লক্ষাধিক বাংলাদেশীর একটি বিশাল অংশ বসবাস করেন, যা এলাকাটিকে কার্যত কুয়েতের ভেতরেই একটি ‘ছোট বাংলাদেশ’ এ পরিণত করেছে।
জিলিব আল শুয়েখের মসজিদগুলোয়, বিশেষ করে শুক্রবারের জুম্মার নামাজে হাজার হাজার মুসল্লির সমাগম হয়। নামাজের সময় মসজিদ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। কিন্তু এই বিশাল জনসমাবেশে একটি বিষয় স্পষ্টভাবে চোখে পড়ে শিশু ও কিশোরদের প্রায় সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি। মসজিদের আঙ্গিনায় শিশুদের খেলাধুলা বা তাদের কণ্ঠস্বর শোনা যায় না।
এই অনন্য সামাজিক চিত্রের পেছনের মূল কারণ হলো এখানকার জীবনযাত্রার খরচ হাতের নাগালে থাকা। এই সাশ্রয়ী ব্যয়ের কারণে সম্পূর্ণ এলাকাটি হয়ে পড়েছে প্রাবাসী কর্মজীবী অধ্যুষিত। ফলস্বরূপ, এখানকার প্রায় সব বাসিন্দাই যুবক বা মধ্যবয়সী প্রবাসী, যারা পরিবার ছাড়াই একাকী কাজ ও বসবাস করছেন।
এ প্রসঙ্গে কুয়েতের প্রাবাসী সংগঠক আলাল আহমেদ বলেন, “জুম্মার নামাজে এসে মনে হয়, যেন দেশের কোনো মসজিদেই আছি। কিন্তু একটি জিনিস কষ্ট দেয় এখানে কোনো বাচ্চাদের চোখে পড়ে না।
পড়ুন: এ ওয়ান পলিমার ও আনোয়ার গ্যালভানাইজিং-এর ডিলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত


