খেলা, ফিচার

কোন পথে বাংলাদেশের ক্রিকেট?

রাহিদ রনি

সুদিন হারাচ্ছে ক্রিকেট! আশ্চর্য চিহ্ন দেয়া ছাড়া উপায় কি? আচ্ছা, তাহলে কি বলা যায়? অনেকক্ষণ ভেবেও যুতসই বাক্য পাওয়া গেলো না, আপনারা পেলে জানাবেন।

 

যারা ক্রিকেটের খোঁজ রাখেন, তাঁদের জানার কথা- বর্তমান জিম্বাবুয়ে দলের কি হাল। ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ে ১২ নম্বরে গ্রান্ট ফ্লাওয়ার, অ্যান্ডি ফ্লাওয়াদের দেশের ক্রিকেট।

 

টেস্টে জবুথবু অবস্থা, টি-টোয়েন্টিতে নেপাল, স্কটল্যান্ডের পরে ১৪ নম্বরে ১৯৯২ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়া জিম্বাবুয়ের। বাস্তব চিত্র হচ্ছে জিম্বাবুয়ে এখনো উত্তরণের পথ খুঁজে পায়নি। দিশেহারা নাবিকের হাতে যে দেশ, সে দেশের ক্রিকেট এর চেয়ে ভালো অবস্থানে যেতে পারবে না, এটাই স্বাভাবিক। আর তা মেনেও নিয়েছে আফ্রিকার দরিদ্র এই দেশের মানুষ।

 

উদাহরণ টেনে আনা এজন্যই যে, তাহলে কি জিম্বাবুয়ের পথেই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেট? বাহুল্য হয়তো, তবে অমূলক নয় একরত্তি।

 

শকুনের ছায়াগ্রস্থ বাংলাদেশের ক্রিকেট। জাতীয় দল নিমজ্জিত গভীর খাদে। কোন কূল-কিনারা পাওয়া যাচ্ছে না। গেল ১০ বছরেও পাওয়া যায়নি মাশরাফী, সাকিব, তামিম, মুশফিক এবং রিয়াদের বিকল্প ক্রিকেটার। তরুণ ক্রিকেটারদের মাঝে সে ছায়া লাপাত্তা। তাই ভবিষ্যতে গভীর সংকটের মুখে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

 

পাইপলাইন এখনো মজবুত হয়নি। আশার স্ফুরণ নেই কোথাও। দায়টা পুরোপুরি বিসিবির। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সাফল্যের ছবি দেখিয়ে ব্যবসা করছে। ক্রিকেট বিজনেস বুঝে গেছে, যা টুকটাক সাফল্য মিলেছে- তাই দিয়ে চলছে বাহাদুরি।

 

স্কুল ক্রিকেটের ভিত্তি দাঁড়ায়নি। উপজেলা ও জেলা পর্যায় থেকে প্রতিভা অন্বেষণ নেই, তাই উঠে আসছে না নতুন কোন চমক। বাংলাদেশ এ দল, হাই পারফর্মেন্স ইউনিট, অনূর্ধ্ব-২৩ বা বয়সভিত্তিক দলগুলোর কার্যক্রম দেখে যায় কালেভদ্রে।  দেশের একমাত্র ক্রিকেট একাডেমি, সেখানে খা খা অবস্থা। শূন্যতা যে পূরণ করতে ব্যর্থ বিসিবি, তা মেনেও নেবে না আভিজাত্যের মিথ্যে অহংকারে।

 

চাওয়া ও প্রত্যাশা একটাই, ক্রিকেট ছড়িয়ে পড়ুক। যেভাবে বাংলাদেশের জয়ের আনন্দ ছড়ায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে। উঠে আসুক নতুন প্রতিভার সম্ভার। বাংলাদেশের জার্সি গায়ে চাপাক দেশপ্রেমে উজ্জীবিত তারুণ্য, যার জয়ের ক্ষুধা অসীম।

 

লেখক: গণমাধ্যম কর্মী

LIVE
Play
গাণিতিকভাবে সবচেয়ে নিখুঁত সুন্দরী বেলা হাদিদ!
স্পেনের জানা-অজানা
টিকটকের মধুবালা
ফোর্বসের তালিকায় ২০১৯ সালে ভারতের শীর্ষ ধনী