চুয়াডাঙ্গায় পৌর এলাকার ভিমরুল্লা জোলাপাড়ায় আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েছেন বেয়াই সেলিম হোসেন (৫০) ও বেয়ান জাকেরা খাতুন (৪৭)। পরে এলাকাবাসীর চাপে ও উভয়ের সম্মতিতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
ঘটনাটি ঘটে শনিবার রাত ৮টার দিকে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই দুইজনের মধ্যে সম্পর্ক চলছিল। ওইদিন রাতেও সেলিম হোসেন জাকেরা খাতুনের বাড়িতে আসেন এবং তখনই আপত্তিকর অবস্থায় তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলেন এলাকাবাসী।
অভিযুক্ত জাকেরা খাতুন ভিমরুল্লা জোলাপাড়ার মৃত ওবাইদুল হকের স্ত্রী ও নোয়াখালীর ধনুমিয়ার মেয়ে। তার স্বামী দেড় বছর আগে মারা যান। বর্তমানে তিনি বাড়িতে একাই বসবাস করেন।
অন্যদিকে, সেলিম হোসেন চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার মাঝেরপাড়ার মৃত দুঃখী মণ্ডলের ছেলে। তিনি বড়বাজার নিচের বাজারে কাঁচামালের ব্যবসা করেন।

চুয়াডাঙ্গায় স্থানীয়রা জানান, সেলিম প্রায়ই জাকেরার বাড়িতে যেতেন।
সন্দেহের পরিপ্রেক্ষিতে সেদিন স্থানীয়রা ফটক টপকে ঘরে প্রবেশ করে জানালা দিয়ে তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান এবং পরে উলঙ্গ অবস্থায় ধরে ফেলেন।
পরে উভয় পক্ষের সম্মতিতে স্থানীয়রা কাজী ডেকে ৫ লাখ এক টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে পড়ান। বিয়ে সম্পন্ন করেন কাজী মো. আব্দুল আলিম।

স্থানীয় বাসিন্দা ও চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রদলের সদস্য রনি ইসলাম বাধন বলেন, “অনেকদিন ধরেই এমন চলছিল। আজ হাতেনাতে ধরা পড়ার পর উভয়েই বিয়েতে রাজি হন।”
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি খালেদুর রহমান বলেন, “বিষয়টি আমরা শুনেছি। বিস্তারিত জানার জন্য একটি টিম সেখানে পাঠানো হয়েছে।
পড়ুন :চুয়াডাঙ্গায় বাসীর ঈদ কাটবে তীব্র গরমে
দেখুন : নতুন পদ্ধতিতে চুয়াডাঙ্গায় গরমকালেও পেঁয়াজ চাষ |
ইম/


