দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ২২ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তবে এ তারিখ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় অনেক বেশি পিছিয়ে দেওয়ায় এটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
শিক্ষার্থীদের দাবি, দীর্ঘ আন্দোলন ও অনশন কর্মসূচির পর জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষিতে প্রথমবারের মতো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচন হতে যাচ্ছে। জকসু বিধিমালা পাস হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের আশা ছিল দ্রুত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু ঘোষিত তারিখ তাদের প্রত্যাশার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। তারা মনে করছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের উচিত তারিখ পুনর্বিবেচনা করা।
ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী নাজমুস সাকিব বলেন,
“জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর আমাদের অন্যতম দাবি ছিল জকসু নির্বাচন। কিন্তু যে সময়ে নির্বাচন দেওয়া হয়েছে, তখন অধিকাংশ শিক্ষার্থী শীতকালীন ছুটিতে থাকবে। ফলে অংশগ্রহণ সীমিত হবে, যা নির্বাচনের প্রাণশক্তি কমিয়ে দেবে।”
আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী ফেরদৌস হাসান বলেন,
“ডিসেম্বরের শুরুতে বেশিরভাগ বিভাগের ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হয়ে যায়। তখন সবাই বাড়ি চলে যায়। এ সময় নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হবে, যা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে পারে। তাই তারিখ এগিয়ে আনা উচিত।”
ছাত্র সংগঠনগুলোর সমালোচনা
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনও নির্বাচনের তারিখ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তাদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিলে প্রশাসনের উদাসীনতা এবং বিশেষ একটি গোষ্ঠীর মন রক্ষার প্রবণতা প্রতিফলিত হয়েছে।
পড়ুন: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ
আর/

