১২/১২/২০২৫, ১৮:৪৬ অপরাহ্ণ
23 C
Dhaka
১২/১২/২০২৫, ১৮:৪৬ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

আজ ৭ নভেম্বর, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। সারাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে দিনটি। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও সাধারণ মানুষের যৌথ উদ্যোগে সংঘটিত হয় জাতীয় বিপ্লব, যা অরাজকতা ও অনিশ্চয়তার সময় অতিক্রম করে দেশে নতুন যাত্রার সূচনা করে।

বিজ্ঞাপন

সেদিন রাজধানী ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। উদযাপিত হয় সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যার পরপরই রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

ওইদিন জাতি আবারও শুনেছিল তার কণ্ঠ—‘আমি জিয়া বলছি।’ মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে স্বাধীনতার আহ্বান শোনানো সেই কণ্ঠে আবারও ভেসে আসে আশ্বাস ও আশা। মুহূর্তেই জেগে ওঠে ১৯৭১-এর মুক্তির প্রেরণা; স্বস্তির নিঃশ্বাসে মুখরিত হয় দেশ।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরের রাস্তায় স্বতঃস্ফূর্ত বিপ্লব ও বিজয়ের মিছিল ছড়িয়ে পড়ে। সৈনিক ও সাধারণ মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উচ্চারণ করেছিল—‘সিপাহী-জনতা ভাই ভাই’, ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’, ‘মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান জিন্দাবাদ’, ‘সিপাহী-জনতা এক হও।’

ইতিহাসের এই দিনটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে চিহ্নিত হয় এবং পরবর্তীতে “জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস” নামে পরিচিতি পায়।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান দেশকে ভূরাজনৈতিক, সম্প্রসারণবাদী ও নব্য-ঔপনিবেশিক ষড়যন্ত্রের জাল থেকে মুক্ত করেন বলে বিবেচিত হয়। জাতীয় সংকটের সেই ভয়াল মুহূর্তে দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের পরাস্ত করে জিয়াকে নেতৃত্বে আনেন।

এই দিনটির পর থেকেই আত্মমর্যাদাবোধ ও স্বাতন্ত্র্যচেতনায় উজ্জীবিত হয়ে বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয় ও সংস্কৃতির বিকাশ শুরু হয়।
নতুন ভোরের সেই ইতিহাসে নায়ক হয়ে ওঠেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

পড়ুন: ফখরুলকে জামায়াত নেতা তাহেরের ফোন, বিষয় জুলাই সনদ ও গণভোট

আর

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন