০৯/১২/২০২৫, ২০:৪৪ অপরাহ্ণ
23 C
Dhaka
০৯/১২/২০২৫, ২০:৪৪ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

জামায়াত কোনো সন্ত্রাসের কাছে মাথা নত করবে না : ডা. শফিকুর রহমান

পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও পাবনা জেলা আমির অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডলের নির্বাচনি প্রচারণায় বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের সমর্থকদের দফায় দফায় হামলা, গুলিবর্ষণ, গাড়ি ও মোটরসাইকেল ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

জামায়াতের আমির ফেসবুক পোস্টে লিখেন, ‘পাবনার ইশ্বরদীতে আজ যা ঘটে গেল তা হঠাৎ করে হয়নি। বিএনপির দলীয় প্রার্থীর অসহিষ্ণু, অগণতান্ত্রিক ও উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং কর্মকাণ্ড বারবার প্রমাণ করছে- এটি ব্যালটের যুদ্ধ নয়; বরং বুলেট দিয়ে তিনি তার সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চান।’

তিনি আরও লিখেন, ‘প্রশাসন যে সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলে আসছে, জনগণ দেখতে চায় প্রশাসন কী করে।’

জামায়াত কোনো সন্ত্রাসের কাছে মাথা নত করবে না উল্লেখ করে জামায়াত আমির লেখেন, ‘জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে লড়াই আমাদের আরও জোরদার হবে।সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। ইনশাআল্লাহ আমরা থামব না।’

এর আগে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিনিয়র প্রচার সহকারী মজিবুল আলম এ-সংক্রান্ত একটি বিবৃতি গণামধ্যমে পাঠান।

প্রদত্ত বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আজ (২৭ নভেম্বর) বিকেলে ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়ি জগির মোড় এলাকায় এ বর্বরোচিত হামলায় অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডলসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তার গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে এবং শতাধিক মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে; যা একটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনি পরিবেশকে নস্যাৎ করার প্রকাশ্য অপচেষ্টা।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আরও বলেন, একদিন আগে একই এলাকায় জামায়াতের কর্মীদের ওপর বিএনপির স্থানীয় সন্ত্রাসীদের হামলার পর আজকের এই সশস্ত্র আক্রমণ প্রমাণ করে যে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকরা একটি ভয়াবহ সহিংস পরিবেশ সৃষ্টি করে নির্বাচনকে সহিংসতার দিকে ঠেলে দিতে চাচ্ছে। একটি গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচনি মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ওপর আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ইমাম-খতিবদের পেছনে ছিলাম, থাকবো: জামায়াত আমির

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন