০৬/১২/২০২৫, ২২:২৭ অপরাহ্ণ
21 C
Dhaka
০৬/১২/২০২৫, ২২:২৭ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

জিডি করেও হামলা থেকে পরিবারকে বাঁচাতে পারলেন না সেই বিচারক

রাজশাহীতে বিচারকের বাড়িতে ঢুকে ছেলেকে হত্যার অভিযোগ পূর্ব পরিচিত যুবকের বিরুদ্ধে। পুলিশ বলছে, ক্রমাগত টাকা চাওয়ার পরও না দেয়ায় এই ঘটনা ঘটতে পারে। নিরাপত্তার শঙ্কায় বিচারকের পরিবার ১০ দিন পূর্বে সিলেটে করেছিলেন সাধারন ডায়রিও (জিডি)। কিন্তু এরপরও থামানো যায়নি হতাহতের ঘটনা। তবে এ ঘটনায় বিচার সংশ্লিস্ট বিষয়ের কোন সূত্র পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়ার জানিয়েছে, রাজশাহী নগরীর সিটি হাট বাইপাসের ডাবতলা এলাকার স্পার্ক ভিউ নামের দশতলা ভবনের ৫ তলায় একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন বিচারক আব্দুর রহমান ও তার পরিবার। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিকেল তিনটা নাগাদ পূর্ব পরিচিত যুবক লিমন মিয়া সেই বাসায় প্রবেশ করেন বিচারকের ভাই পরিচয়ে। প্রবেশের আধা ঘণ্টা পর বাড়ির গৃহকর্মী নিচে থাকা দারোয়ানকে খবর দেন হতাহতের। তৎক্ষণাৎ মূল ফটক বন্ধ করে ফ্লাট থেকে আহত অবস্থায় লিমন মিয়া, বিচারক আব্দুর রহমানের স্ত্রী তাসনীম নাহার লুসী এবং তাদের পুত্র সন্তান তাওসিফ রহমানের রক্তাক্ত দেহ নিচে আনা হয়।

জানা গেছে, তিনজনকেই রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাওসিফ রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি দুইজন মুমূর্ষ অবস্থায় এখনও হাসপাতালে ভর্তি।

তবে কি নিয়ে কিভাবে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে তা পরিস্কার নয়। পুলিশ বলছে, তাসনীম নাহার লুসী পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষায় গত ৩ নভেম্বর সিলেটের জালালাবাদ থানায় লিমন মিয়ার নামে একটি সাধারন ডায়রি করেছিলেন। যেখানে উল্লেখ আছে, কোন্টাম ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে লিমনের সঙ্গে তাদের পরিচয়। এরপর থেকেই নানা ভাবে সে তাসনীম নাহারের কাছ থেকে টাকা চেয়ে নিতেন। না দিতে চাইলে মেরে ফেলার হুমকিও দেন।

পুলিশ জানিয়েছে, তাওসিফ রহমানের ডান পায়ে উরুর কাছে বড় কাটা ক্ষত পাওয়া গেছে। চিকিৎসকদের ধারণা ধারালো কিছুর আঘাতে এটি কেটে গিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। এদিকে রাত ৮টার দিকে ঘাতক লিমন মিয়ার জ্ঞান ফিরেছে। হাসপাতালেই তাকে এ ঘটনায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে এখনও মুমূর্ষু তাসনীম নাহার।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ধানমন্ডি ৩২ থেকে সন্দেহভাজন কিশোর আটক



বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন