২১/০১/২০২৬, ১৯:৫১ অপরাহ্ণ
22 C
Dhaka
২১/০১/২০২৬, ১৯:৫১ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ঢাকার দুই প্রান্তে অবরোধ, যানজটে স্থবির রাজধানী

ঢাকার দুই প্রান্তে অবরোধের ফলে যানজটে স্থবির রাজধানী। উন্নত চিকিৎসা, পুনর্বাসনসহ বিভিন্ন দাবীতে শ্যামলীর সড়কে অবস্থান নিয়েছেন আন্দোলনে আহতরা। তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবীতে মহাখালীতে অবস্থান নিয়েছেন তিতুমীরের শিক্ষার্থীরা। আর সচিবালয়ের সামনে জুলাই হত্যাকান্ডের বিচারের দাবীতে মাঠে নেমেছে ইনকিলাব মঞ্চ। এতে সড়কে বেড়েছে ভোগান্তি।

বিজ্ঞাপন

রাজধানীর শ্যামলীর শিশুমেলা মোড়ে অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে আহতরা। তাদের দাবি সুচিকিৎসা পাচ্ছে না। ৩১ আগস্টের মধ্যে পুনর্বাসনসহ সব প্রক্রিয়া শেষ করার কথা থাকলেও সরকার তা আমলে নেয়নি। অভিযোগ করেন জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের অর্থ না পাওয়া নিয়েও।

পুর্নবাসনসহ সব দাবি মেনে না পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও জানান আহতরা।

এদিকে স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়সহ সাত দাবিতে মহাখালীতে অবস্থিত তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা পঞ্চম দিনের মতো আন্দোলন করছে। কলেজের প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন কর্মসূচিও পালন করছে তারা।

আন্দোলনে আহতদের মতো শিক্ষার্থীরাও বলছেন, তাদের দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে। বারাসাত টু ঢাকা নর্থ কর্মসূচি আজ ইজতেমার কারনে ঢাকা ময়মনসিংহ রোডে শিথিল হলেও কাল থেকে চলবে পুরোদমে।

অন্তবর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দাবী আদায়ের হিড়িক যেনো বেড়েই যাচ্ছে। আহত এবং তিতুমীরের শিক্ষর্থীদের মতো ইনকিলাব মঞ্চ সচিবালয় ঘেরায় কর্মসূচি দিয়ে মাঠে নেমেছে। দাবী তাদের জুলাই হত্যাকান্ডের বিচার এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর পদত্যাগ।

এসময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে উদ্দেশ্য করে পুলিশের কাছে চুড়ি হস্তান্তর করে ইনকিলাবে নেতারা। হুশিয়ারি দেন ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দাবী মানা না হলে কঠোর কর্মসূচির।

একদিকে আহতদের অবস্থানের কারণে মিরপুর সড়কের দুই পাশের পাশাপাশি শ্যামলী-আগারগাঁও সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অন্যদিকে তিতুমীর কলেজের আন্দোলন ফলে বন্ধ হয়ে যায় মহাখালী গুলশান সড়ক। আর সচিবালয় এলাকায় অবস্থানের কারনে গুলিস্তান হাইকোর্ট এলাকায় যান চলাচলে প্রভাব পরে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ যাত্রীরা।

এনএ/

দেখুন: ছোলা বিরিয়ানি বিক্রি করে ঢাকায় বাড়ি কিনেছেন ইদ্রিস

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন