থাইল্যান্ডে আশ্রয় নেওয়া ৪০ জন উইঘুর মুসলিমকে চীনে ফেরত পাঠানোর ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্ট থাই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
গতকাল শুক্রবার (১৪ মার্চ) এক দাপ্তরিক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
তিনি জানান, ‘গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ৪০ জন উইঘুরকে জোরপূর্বক চীনে ফেরত পাঠানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাবেক ও বর্তমান থাই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমি এই সিদ্ধান্ত শিগগিরই কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছি।’
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে উইঘুরদের লক্ষ্য করে অত্যাচার, নির্যাতন ও মানবতাবিরোধী অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে চীনের সরকার। যেসব দেশে উইঘুররা আশ্রয় নিয়েছেন, সেসব দেশের সরকারের প্রতি আমাদের আহ্বান থাকবে— তাদেরকে যেন চীনে ফেরত পাঠানো না হয়।’
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিবৃতিতে জানানো হয়, চীন প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করে উইঘুরদের ফেরত পাঠাতে বাধ্য করছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এই তৎপরতা প্রতিহত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
থাই কর্মকর্তারা ফেব্রুয়ারিতে উইঘুরদের ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন, যা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা। তারা পুনর্বাসনের প্রস্তাব দিলেও ব্যাংকক চীনকে অসন্তুষ্ট করার ঝুঁকি নেয়নি। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা প্রসঙ্গে থাই কর্মকর্তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
যুক্তরাষ্ট্র এই পদক্ষেপ নিয়ে এশিয়ার বিভিন্ন দেশে উইঘুর শরণার্থীদের চীনে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে নেতিবাচক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে কতজন কর্মকর্তা বা তাদের পরিবারের সদস্যরা এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন, তা প্রকাশ করেনি মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এনএ/


