“সরকারি সেবা প্রাপ্তিতে অনাগ্রস্বরদের অধিকতর অন্তর্ভুক্তি”
শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধন করলেন সদর ইউএনও
দিনাজপুর সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মিজ শাহীন সুলতানা বলেছেন, সমাজে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের জন্য এবং সব ধরনের বিশৃঙ্খলা, অনিয়ম, বৈষম্য ও বঞ্চনা দুর করতে হলে মানুষকে হতে হবে সচেতন। পিছিয়ে পড়া অনাগ্রস্বর জনগোষ্ঠীর সরকারি সেবা প্রাপ্তি কোন করুনা নয়, তাদের অধিকার। অপরদিকে সরকারি সুবিধাগুলো সম্পর্কে তারা সচেতন হলে সরকারি সেবাদান প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে এবং উন্নত ও উৎপাদনশীল সমাজ গঠন সহজতর হবে। আমরা কাউকে পিছনে ফেলে নয়, সবাইকে সাথে নিয়ে এগুতে চাই এবং উন্নয়নের মূল স্রোতে তাদের সম্পৃক্ত করতে চাই।
২৭ অক্টোবর সোমবার দিনাজপুর সদর ইউএনও কনফারেন্স রুমে আরডিআরএস বাংলাদেশের আয়োজনে সরকারি সেবা প্রাপ্তিতে অনগ্রস্বর অধিকতর অন্তর্ভুক্তি শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধন করতে গিয়ে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলো বলেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আরডিআরএস বাংলাদেশ রংপুর হতে আগত টেকনিক্যাল অফিসার জাহিদা মোস্তারি লিসা। কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সুপারভাইজার সমিত্র কুমার এর সঞ্চালনায় সরকারি সেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সুবিধাগুলো তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ তুষার, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার গোলাম আজম, উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ হাফিজুর ইসলাম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসা মোছাঃ শাহিনা বেগম, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার নাইমুর রহমান, বরেন্দ্র দপ্তরের প্রকৌশলী মোঃ শহিদুল ইসলাম। টেকনিক্যাল অফিসার জাহিদা মোস্তারি তার স্বাগত বক্তব্য বলেন, আরডিআরএস বাংলাদেশ মনে করে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সদস্যরা সরকারি সেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সচেতন হলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রতিবাদে স্বোচ্চার হতে পারে, সমাজে আনতে পারে কাঙ্খিত পরিবর্তন। এব্যাপারে সরকারি কর্মকর্তাদের আরও আন্তরিক হতে হবে। সুবিধা বঞ্চিত নারী, যুব, দরিদ্র ও বিশেষ চাহিদা সম্পুন্ন ব্যক্তিদের অধিকার আদায়ে ও সেবা প্রাপ্তিতে বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করে সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে আমাদের।
পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছে ঝুলছিল কৃষকের মরদেহ
দেখুন: মহান বিজয়ের প্রতীক জাতীয় স্মৃতিসৌধ | ঘরে বাইরে
ইম/

