এশিয়া কাপের প্রথম ১১ ম্যাচে কোনো দলের ইনিংসই দুই শ স্পর্শ করেনি। ইনফর্ম ভারতও তা করতে পারেনি। করবে কীভাবে? ভারত যে আরব আমিরাত ও পাকিস্তান দুই ম্যাচেই পরে ব্যাট করেছিল। স্বাগতিকরা দিয়েছিল ৫৮ রানের লক্ষ্য, পাকিস্তান ১২৮। তবে আজ ওমানের বিপক্ষে আগে ব্যাটিং নিয়েছিলেন সূর্যকুমার যাদব। প্রতিপক্ষ বিবেচনায় প্রথম দুই শর আশা করা তাই স্বাভাবিক।
কিন্তু আজো ২০০ হলো না, ওমানের বোলারদের নৈপুণ্যে ১৮৮ রান করতে সক্ষম হলো ভারত। নৈপুণ্যেই বটে, ওমানের বোলাররা ভারতের ৮ উইকেট তুলে নিয়েছেন। এরইমধ্যে ২৩ রানে ২ উইকেট পাওয়া ফয়সাল শাহ তো একটি মেডেনও আদায় করেছেন। ওই ওভারে শুভমান গিলকে শিকার করেন তিনি।
নেমেই তাণ্ডব শুরু করা অভিষেক শর্মার ধাতে পরিণত হয়েছে। আরব আমিরাতের বিপক্ষে ১৬ বলে ৩০ ও পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৩ বলে ৩১ রান করেছিলেন তিনি। শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে আজো ব্যতিক্রম হয়নি। ১৫ বলে ৩৮ রানের ইনিংস খেলে দিয়ে যান তিনি। অবশ্য তার আগেই আউট হন গিল।
ভারতের দলপতি সূর্যকুমার যাদব তিন বা চার নম্বরে ব্যাটিং করে থাকেন। গিল আউট হওয়ার ব্যাটিংয়ে নামেননি তিনি, নামেননি অভিশেক শর্মা প্যাভিলিয়নে ফেরার পরও। তিনে নেমেছিলেন উইকেটকিপার স্যাঞ্জু স্যামসন। তিনিই সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান করেছেন, যদিও ৫৬ রানের ইনিংসটি ৪৫ বলে। চার নম্বরে নেমেছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া, তিনি ননস্ট্রাইক প্রান্তে রানআউট হন। ৮ উইকেট চলে গেলেও সূর্য বেঞ্চেই বসে থাকেন।
সূর্যকুমার হয়তো বাকিদের ব্যাটিংয়ের সুযোগ দিয়েছেন। শিভম দুবে ব্যর্থ হলেও ক্যামিও ইনিংস এসেছে অক্ষর প্যাটেল, তিলক বার্মা ও হার্শিত রানার ব্যাট থেকে। অক্ষর ১৩ বলে ২৬, তিলক ১৮ বলে ২৯ ও রানা ৮ বলে ১৩ রান করেন। ওমানের হয়ে ফয়সাল ছাড়াও ২টি করে উইকেট নেন জিতেন রামানন্দি ও আমির কালীম।
পড়ুন : বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ দিয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোর শুরু


