বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম- মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ডক্টর ইউনুস সাহেবের আমলে আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, আমাদের সবকিছুকে আমরা মজবুত রাখতে চাই। বিদেশি কোম্পানির সাথে আমাদের নানা বিষয়ে চুক্তি হতে পারে। আমাদের দেশের উন্নয়ন উৎপাদনের জন্য , কিন্তু দেশের সার্বভৌমত্ব নিরাপত্তাকে দুর্বল করে তো চুক্তি হতে পারে না।
পটুয়াখালীর সদর উপজেলার ছোট বিঘাই ইউনিয়নের অসহায় এক বৃদ্ধ দম্পতির মানবেতর জীবনযাপনের বিষয়টি তারেক রহমানের নজরে আসলে তার নির্দেশে রবিবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে ছোট বিঘাই ইউনিয়নের বিঘাই হাট স্কুল সংলগ্ন মাঠে আমরা বিএনপি পরিবার এর পক্ষ থেকে বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক রুহুল কবির রিজভী পরিবারের পাশে উপস্থিত হয়ে আর্থিক সহায়তা প্রদান কালে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ।
তিনি আরও বলেন, আমরা এখনো ইউনুস সরকারের প্রতি আস্থা রাখি, আস্থার জায়গাটি দুর্বল করা, নিশ্চয়ই উচিৎ না অন্তবর্তী কালীন সরকারের, আপনারা জানেন বিদ্যুতের জন্য যে চুক্তি করেছিল শেখ হাসিনা। ভারতের একটি প্রাইভেট কোম্পানি আদানীর সাথে। সেটা শেখ হাসিনা দেশের স্বার্থে করেনি। সেটা শেখ হাসিনা জনগণের স্বার্থে করেনি, সেটা করেছে ওই বিদ্যুৎ কোম্পানির স্বার্থে, কারণ ভারতের একটি কোম্পানিকে দেশের স্বার্থ নষ্ট করে চুক্তি করেন। তাহলে ভারত শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখবে।
এ ধরনের অনেক কিছু তিনি করেছেন, আরো অনেক চুক্তি করেছেন অন্যান্য বিষয়, আমি শুধু একটা কথাই বললাম, যত চুক্তি হয় অন্য দেশের সাথে, সেই চুক্তির নির্দিষ্ট একটা মাত্রা থাকে, বিবেচনা করা হয় স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব সবকিছু বিবেচনা করে আদানি সেই ঝাড়খন্ডে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সেই বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৩৪% আমাদের কিনতে হবে কেন, বাংলাদেশের স্বার্থকে বিকিয়ে দিয়ে এটা করতে হবে কেন, কারণ শেখ হাসিনা স্বার্থ আছে সে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায় ভারত তাকে টিকিয়ে রাখবে।
শেখ হাসিনার চুক্তির শর্তগুলো বাংলাদেশের মানুষ জানতো না এখন যদি সেই পরিবেশ পরিস্থিতি চলে আসে চট্টগ্রাম বন্দর নাকি বিদেশি অপারেটরদের হাতে দেওয়া হবে। কাদেরকে দিবেন সেটা না হয় জানলাম কিন্তু কিভাবে দিবেন সেই শর্তগুলো কি হবে আর এই সমস্ত বন্দর ,নদী বন্দর সমুদ্র , বন্দর যদি ক্রমান্বয়ে বিদেশীদের হাতে যেতে থাকে তাহলে তো নিরাপত্তার প্রশ্ন ;তাহলে তো দেশের সার্বভৌমত্ব নিরাপত্তার প্রশ্ন।
ডক্টর ইউনুস সাহেব কে অবশ্যই এটা বিবেচনায় নিতে হবে শেখ হাসিনা যা যা করেছেন দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে করেছেন। যার কারণে মানুষ মনে করেছে একটা সময়। তাদের পিঠ দেয়ালে ঠকে গেছে। অতএব এই ধরনের নষ্টা চার। এই ধরনের মানব শিশুদের রক্তপাত কারীদের একজন ভয়ংকার নারী যে বিনা ভোটে ক্ষমতায় থাকতে চায়।
এ সময় অনুষ্ঠানে পটুয়াখালী জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পড়ুন- বিএনপি’র ঘোষিত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে নাচোলে রেলপথ অবরোধ

