বাংলাদেশ

নুসরাতকে হত্যার কথা স্বীকার করলেন নুর ও শামীম

ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নূর উদ্দিন ও শাহদাত হোসেন শামীম।

 

স্বীকারোক্তিতে তারা বলেন, কারাগার থেকে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার পরামর্শ ও নির্দেশেই নুসরাতের গায়ে আগুন দেওয়া হয়েছিলো।

 

রোববার ফেনীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. জাকির হোসাইনের আদালতে জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। সেদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত তাদের দুজনের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

 

জবানবন্দি প্রদান শেষ হলে রাত ১টা ৫ মিনিটের দিকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন এন্ড অপারেশনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাহেরুল হক চৌহান এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

 

এ সময় পিআইবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা-পিআইবির পরিদর্শক মো. শাহ আলম উপস্থিত ছিলেন।

 

শাহ আলম জানান, পিবিআই এ মামলার দায়িত্ব পাওয়ার চারদিনের মধ্যে ঘটনাটি যারা ঘটিয়েছেন তাদেরকে আইনের আমলে নিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আদালত দীর্ঘ সময় ধরে তাদের দুজনের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন।

 

দুই আসামী স্বতঃস্ফূর্তভাবে আদালতের নিকট জবানবন্দি দিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, দুই আসামি পুরো বিষয়টি খোলাসা করেছেন। কারা কীভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন, কী প্রক্রিয়ায় ঘটিয়েছেন তা বিস্তারিত বলেছেন। কিন্তু মামলার তদন্তের স্বার্থে সবকিছু এখনই বলা যাবে না।

 

তবে এ পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ১৩ জনের নাম পাওয়া গেছে। এছাড়াও, বিক্ষিপ্তভাবে আরও কিছু নাম এসেছে। সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত খতিয়ে দেখে সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারবো বলে জানান পিআইবির পরিদর্শক।

 

২৭ এপ্রিল ওই ছাত্রীকে নিজ কক্ষে নিয়ে যৌন নিপীড়ন করার অভিযোগে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সে ঘটনার পর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

 

ফই/আনি/ফই

 

 

 

LIVE
Play
ভারত সরকার কি মিথ্যা বলছে?
ভারতকে কি হারাতে পারবে নিউজিল্যান্ড?
কতটা কঠিন হবে বাংলাদেশের সেমিফাইনাল?
রাইড শেয়ারিংয়ের অর্থনীতি