১২/১২/২০২৫, ১৮:২৩ অপরাহ্ণ
23 C
Dhaka
১২/১২/২০২৫, ১৮:২৩ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনা ব্যাটালিয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশির লাশ হস্তান্তর বিএসএফে’র

ভারতের মেঘালয়ে স্থানীয়দের হাতে নিহত হওয়া এক বাংলাদেশি নাগরিকের লাশ ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মাধ্যমে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

রবিবার (১৭ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে মেইন ফিলার ১১৮৮ সংলগ্ন মহেশখোলা বিওপি (বর্ডার অবজারবেশন পোষ্ট) এলাকা দিয়ে লাশটি হস্তান্তর করা হয়।

নিহত ব্যক্তির নাম মো. আকরাম হোসেন (৩২)। তিনি শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলার বাঁকাকুড়া গ্রামের মৃত জহির উদ্দীনের ছেলে।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মেঘালয়ের দক্ষিণ-পশ্চিম খাসি হিলস জেলায় গত ১০ আগস্ট আকরাম অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে অপহরণের চেষ্টায় জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করেছে স্থানীয়রা। এ সময় তাদের গণপিটুনিতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।

মেঘালয় পুলিশ এ ঘটনার বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বাংলাদেশি পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করে। পরবর্তীতে ভারতীয় পুলিশ লাশটি বিএসএফ’র কাছে হস্তান্তর করে। বিএসএফ ও বিজিবি’র সমন্বয়ে লাশটি কলমাকান্দা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নিহত আকরামের ভাই শেখ ফরিদ বলেন, আমার ছোট ভাই আকরাম হোসেনের মৃত্যুর খবর আমি প্রথমে ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারি। খবর পাওয়ার পর থেকেই আমি বিজিবি এবং ঝিনাইগাতি থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ রেখেছি। যেন আমার ভাইয়ের লাশ দ্রুত বাংলাদেশে আনা যায়। ভারতীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে লাশ দেশে ফেরানো হয়েছে। এ জন্য বিএসএফ, বিজিবি এবং বাংলাদেশ পুলিশের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।

তিনি আরো বলেন, আমার পরিবারের অবস্থা খুবই খারাপ। মা শোকে ভেঙে পড়েছেন। আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করছি, যেন আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে আমার ভাইয়ের লাশ দ্রুত আমাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা আর না ঘটে, সেদিকে সকলের দৃষ্টি থাকে।

কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, “বিএসএফ ও বিজিবির সমন্বয়ে নিহত বাংলাদেশির লাশ আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে লাশ নিহতের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন:নেত্রকোনায় ভারতীয় মদসহ যুবক আটক

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন