২৫/০১/২০২৬, ৬:৩১ পূর্বাহ্ণ
17 C
Dhaka
২৫/০১/২০২৬, ৬:৩১ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নোয়াখালীতে চাঞ্চল্যকর সুব্রত হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার পশ্চিম চরজুবলীতে সংঘটিত সুব্রত চন্দ্র দাস (৪৭) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনসহ মূল আসামি নূর মোহাম্মদকে (৫৭) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে চরজব্বর থানা পুলিশ সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের উত্তর ওয়াপদা বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেফতার নূর মোহাম্মদ উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্যম বাগ্যা গ্রামের প্রয়াত আলী আহম্মদের ছেলে।

পুলিশ জানিয়েছে, সুব্রত চন্দ্র দাসকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমে সংবাদ হলেও মূলত মোটরসাইকেলের বাম্পার ও স্ট্যান্ডের আঘাতে গলা কেটে মৃত্যু হয় তার।

চরজব্বর থানার ওসি শাহীন মিয়া বলেন, গত ১৩ অক্টোবর দুপুরে উপজেলার পশ্চিম চরজুবলী এলাকায় জনৈক রাজ্জাক সওদাগরের ধানী জমির উত্তর পাশে পাকা সড়কে সুব্রত চন্দ্র দাসের রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় থানায় মামলা রুজু করার পর পুলিশের একাধিক টিম দ্রুত অভিযান শুরু করে। প্রাথমিক তদন্ত ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্য এবং তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি হিসেবে নূর মোহাম্মদকে শনাক্ত করা হয়।

ওসি আরও বলেন, পরবর্তীতে পুলিশের আভিযানিক দল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নোয়াখালী সদর উপজেলার উত্তর ওয়াপদা বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই রাতে পূর্ব শুল্ল্যুকিয়া এলাকার জনৈক জসিম ড্রাইভারের ঘর থেকে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়।

ওসি জানান, জিজ্ঞাসাবাদে আসামি নূর মোহাম্মদ স্বীকার করেন যে, ১৩ অক্টোবর দুপুরে নিজের মোটরসাইকেলযোগে ভাগিনা ফয়সালকে (১০) সঙ্গে নিয়ে গাছ কাটার শ্রমিকদের খাবার পৌঁছে দিতে যাচ্ছিলেন তিনি। একই সময় ভুক্তভোগী সুব্রত চন্দ্র দাস চর আমান উল্ল্যা গ্রামে তার স্ত্রী রিক্তা দাসকে আনার জন্য যাচ্ছিলেন। সুব্রত একটি সিএনজি অটোরিকশাকে অতিক্রম করার সময় সামনে থেকে আসা দ্রুতগামী মোটরসাইকেল দেখে হঠাৎ ব্রেক করার কারণে মোটরসাইকেলসহ পড়ে যান।

আসামির বরাতে ওসি শাহীন মিয়া বলেন, দুর্ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা সুব্রত চন্দ্র দাসের উপর দিয়ে বিপরীতদিক থেকে আসা নূর মোহাম্মদের মোটরসাইকেলটি চলে যায়। এ সময় নূর মোহাম্মদের মোটরসাইকেলের বাম্পার ও স্ট্যান্ডে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে সুব্রতর গলায় কেটে যায় এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আরও তিনজন প্রত্যক্ষদর্শী পুলিশের কাছে একই রকম বিবরণ দিয়েছে।

মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে উল্লেখ করে ওসি বলেন, গ্রেফতার আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেবেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ‘নোয়াখালী বিভাগ’ বাস্তবায়নের দাবিতে ডিসি অফিস ঘেরাও

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন