১১/১২/২০২৫, ১৫:১১ অপরাহ্ণ
26 C
Dhaka
১১/১২/২০২৫, ১৫:১১ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

প্রতি ১০ শিশুর মধ্যে ৪ জনের রক্তে উদ্বেগজনক সীসা: জরিপ

বাংলাদেশের প্রতি ১০ শিশুর মধ্যে ৪ জনের রক্তে উদ্বেগজনক সীসা পাওয়া গেছে। এছাড়া ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ৩৮ শতাংশ এবং অন্তঃসত্ত্বা নারীদের প্রায় ৮ শতাংশের দেহে সীসার মাত্রা নিরাপদ মাত্রার চেয়ে বেশি। এর মধ্যে ঢাকায় সবচেয়ে বেশি ৬৫ শতাংশের বেশি এলাকা।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং ইউনিসেফের যৌথ জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

আজ রোববার (১৬ নভেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনারে মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে-২০২৫ শীর্ষক জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সীসা দূষণ শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে হুমকি সৃষ্টি করে। এছাড়া এর প্রভাবে আর্থ সামাজিক শ্রেণির উপর পড়ছে। আক্রান্ত শিশুদের অর্ধেকের বেশি ধনী পরিবারের এবং ৩০ শতাংশ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর শিশু।

বিবিএসের মহাপরিচালক মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে অতিথি ছিলেন, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব আলেয়া আক্তার। অতিথি ছিলেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিক্ষা ও শেখার দক্ষতায় উপস্থিতি ভালো। কিন্তু মৌলিক দক্ষতা দুর্বল। প্রাথমিক স্তরে উপস্থিতি ৮৪ শতাংশ এবং নিম্ন মাধ্যমিকে প্রায় ৬০ শতাংশ হলেও উচ্চ মাধ্যমিকে তা প্রায় ৫০ শতাংশেই আটকে অছে। ৭-১৬ পরিবারের শিশুদের শেখার ফলাফল আরও দুর্বল।

প্রতিবেদনে শিশু সুরক্ষার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, অগ্রগতি সত্ত্বেও সহিংসতা ব্যাপক। ২০-২৪ বছর বয়সি নারীদের প্রায় ৪৭ শতাংশ ১৮ বছরের আগে বিবাহিত হয়েছে। ১৫-১৯ বছরের কিশোরী বিবাহের হার বেড়েছে। ঘরে শিশুদের প্রতি সহিংস শাসন এখনও ৮৬ শতাংশ শিশুকে প্রভাবিত করছে।

পরিবেশগত স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, ভারী ধাতুর ঝুঁকি আছে। প্রথমবারের মতো ভারী ধাতুর উপস্থিতি নির্ণয়ে দেখা যায়, ১২-৫৯ মাস বয়সি এক-তৃতীয়াংশের বেশি শিশুর রক্তে সীসার উচ্চমাত্রা রয়েছে। শিল্পকারখানা, অনিয়ন্ত্রিত রিসাইক্লিং এবং বিপজ্জনক পণ্য ব্যবহারের মতো কারণ দ্রুত চিহ্নিত করে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

পড়ুন: ঢাকাসহ ৪ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন