কলাম

প্রাণি নির্যাতন- মানুষ নির্যাতনের প্রাথমিক পর্যায়

রাকিবুল হক এমিল

বেশ কিছুদিন ধরে একটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ড সাড়া ফেলেছিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। হত্যাকান্ডের ভিক্টিম একটি বিড়াল। এদেশে বহু প্রাণি অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়, যেমনটা মানুষের ক্ষেত্রেও নেহাৎ কম নয়। কিন্তু সাম্প্রতিক এই ঘটনাটি সবার বিবেকে আঘাত করে এর ধরণের কারণে।

 

হত্যাকারীর বয়েস এবং হত্যাকাণ্ড সংঘঠিত করবার প্রক্রিয়া-দুটোই আমাদেরকে একটি প্রশ্নের মুখে ফেলার জন্য যথেষ্ট- কোথায় যাচ্ছে আমাদের শিশু-কিশোরদের মানসিকতা?

 

একজন কিশোরী ছোট একটি বিড়ালকে জীবন্ত চামড়া ছাড়িয়ে সেই অবস্থায় তার নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ব্যবচ্ছেদ করেন। এসময় বিড়ালটির যন্ত্রনাকাতর চিৎকার কিশোরীর হৃদয়কে ছুঁতে পারেনি। সে নির্বিকারভাবে এবং উল্লাসের সাথে হত্যাকান্ডের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করেন এবং ছোট ভাইকে দিয়ে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটির ভিডিওচিত্র ধারণ করেন। এ সময় তার কন্ঠে শোনা যায়- “I love blood” – অতঃপর সেটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন।

 

বিষয়টি প্রাণিপ্রেমিদের নজরে আসে এবং তাঁরা যথাযথ পদক্ষেপ নেন। গ্রেপ্তার-মামলা-আইনি সব প্রক্রিয়া চলমান থাকে।

 

 

এ তো গেল অপরাধ, গণ প্রতিক্রিয়া এবং আইনি পদক্ষেপ। প্রশ্ন হল- এই ঘটনা আমাদের কি বাস্তবতার মুখোমুখি করে? কি ঘটতো- যদি প্রাণিপ্রেমিরা সোচ্চার না হত? এবং এমন একটি অপরাধ কেন প্রাণিপ্রেমিদের মাধ্যমে আইনের আওতায় আসতে হবে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর তল্লাশি এখন সময়ের চাহিদা।

 

আমরা লক্ষ্য করছি- আমাদের দেশের নানা ধরণের সহিংসতা যেমন-খুন, হত্যা, ধর্ষণ, আত্মহত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অপরাধিকে আইনের আওতায় আনবার জন্য তৎপর হচ্ছে। সমাধান কি আদৌ মিলছে? অপরাধী সৃষ্টি হবার কারখানাটা কোথায়? একজন মানুষ তো অপরাধী হয়ে জন্মায় না? তবে কোন কারখানায় তাকে অপরাধী হিসেবে গড়ে তুলছে। আমাদের প্রশাসন কি সেই কারখানাগুলোয় হানা দেবার কোনো পরিকল্পনা নিয়েছেন? নাকি ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলা অপরাধীদের ধরতেই তাঁরা ব্যস্ত থাকবেন?

 

 

মূলত- একজন ব্যক্তি যখন অপরাধ করে ফেলছেন,কেবল তখনই আমরা তাকে অপরাধী হিসেবে জানতে পারি। একটি শিশু, কিশোর অথবা প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির কোন আচরণ অপরাধী হয়ে উঠবার ইংগিত দেয়,সেটি সময় মত বুঝতে পারলে বহু সম্ভাব্য অপরাধীকে হয়তো সংশোধন করা যেত। এই বিষয়ে পশ্চিমা দেশগুলো গত কয়েক দশকে তাঁদের গোয়েন্দা বিভাগ, কারা কর্তৃপক্ষ, মানসিক হাসপাতাল, মনোবিজ্ঞানি, অপরাধ বিজ্ঞানীদের সহায়তা নিয়ে বেশ খানিকটা গুছিয়ে এনেছেন। নানা ধরণের গবেষণা চালিয়ে বিস্ময়কর সব তথ্য উপাত্ত তুলে এনেছেন। এই বিষয়ে Board of The New York State Humane Association এর চেয়ারম্যান ড. হ্যারোল্ড হোভেলের গবেষণার কথা বলা যায়। তিনি দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে মানবিকতা এবং প্রাণিকল্যান বিষয়ে বিভিন্ন প্রকল্পের সাথে নিযুক্ত থেকেছেন। ২০১৫ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর “The Connection between Animal Abuse and Human Violence.” এই গবেষণার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা বিভাগ এফবিআই, বিচার বিভাগ,পুলিশ প্রধানদের এসোসিয়েশন এবং বহু বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের যুক্ত করা হয়।

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৫০ টি স্টেইটের বিভিন্ন কারাগার থেকে অপরাধীদের উপর করা এক জরিপে দেখা যায় শতকরা হিসেবে- Rapist (ধর্ষক) ৪৮ ভাগ, Sexual Murderers (যৌনবিকারগ্রস্ত খুনি) প্রায় ৪৬ ভাগ, Aggravated assault (উপর্যুপরি নির্যাতন) ৫২ ভাগ, Pedophiles ( বিকৃত যৌনরুচি ) ৩০ ভাগ, এবং Serial Killer (পেশাদার খুনি ) ৯০ ভাগ – এদের প্রত্যেকের শৈশবে প্রাণির প্রতি নির্মম নির্যাতনের ইতিহাস রয়েছে। সেসব নির্যাতনের বর্ণনা যেকোনো সুস্থ স্বাভাবিক মানুষকে বিপর্যস্ত করে দিবে।

 

 

“Human beings would benefit enormously if fighting animal cruelty (investigating, prosecuting) were taken seriously. Many human lives would be saved and much human suffering would be prevented” – Dr. Harold Hovel.

 

এরা কেউই শুরু থেকেই প্রাণিদের প্রতি এমন নির্মম ছিলেন না । গবেষণায় দেখা যায়- প্রায় প্রত্যেকেই শৈশবে নিজেরা শারিরিক, মানসিক অথবা যৌন নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন অথবা পরিবারের সদস্যদের মাঝে সহিংসতা দেখেছেন।

 

এই পর্যায়ে এসে নিশ্চয়ই বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থা এবং পারিবারিক আবহের বিষয়টি মিলিয়ে নিতে সমস্যা হচ্ছে না! প্রাণির প্রতি ভালবাসা অথবা প্রাণির প্রতি নিষ্ঠুরতা কেবল প্রাণিপ্রেমিদের ব্যাপার বলে আলাদা করে দেখবার কোন সুযোগই এখন নেই।

 

নিষ্ঠুর, বিকারগ্রস্ত হয়ে বিড়াল হত্যাকারী কিশোরীর ঘটনাটি আমাদেরকে নড়েচড়ে বসবার কথা বলে দেয়। ২০১৬ সালে সাভারে ঘটে যাওয়া আরেকটি ঘটনা এক্ষেত্রে মনে করিয়ে দিতে চাই- একজন কিশোর ছোট্ট একটি কুকুরছানাকে প্রায় ৫৪ বার চক্রাকারে ঘুরিয়ে আছড়ে আছড়ে মেরে ফেলে। এ সময় ছানাটি তীব্র আর্তনাদ করছিল-কিন্তু কিশোরটির মন গলেনি। পুরো ঘটনাটি পরিচালনা এবং ভিডিওচিত্র ধারণ করে আরো একজন কিশোর। উদ্দেশ্য ছিল নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রচার করে ভিউয়ার বাড়ানো। ঘটনার সময় সেই খোলা স্থানে ৫-৮ বছর বয়েসি আরো কয়েকজন শিশু উপস্থিত ছিল। এটিও আইনের আওতায় আনা হয় এবং জরিমানা দিয়ে মুক্তি পান অপরাধী। এই দু’টো ঘটনারই কিছু বিষয়ে মিল পাওয়া যায় যেমন- ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রচার পাবার আকাঙ্ক্ষা এবং একই অপরাধের অনুসারী বাড়ানো , বিকৃত মানসিকতায় হত্যাকাণ্ড সংঘঠিত করবার সংকল্প এবং অভিভাবক কর্তৃক অপরাধের বৈধতা দেবার অপচেষ্টা। প্রাণিপ্রেমিরা বিষয়গুলো নজরে আনেন এবং আইনগত পদক্ষেপ নেন বলে এগুলো গণমাধ্যমে উঠে এসেছে।

 

এছাড়াও গত পাঁচ বছর ধরে প্রাণি অধিকার নিয়ে কাজ করছি বলে এমন কম করে হলেও ৩০ টি ঘটনার চিত্র দেখেছি আমরা। কবুতর খেয়ে ফেলার অপরাধে বিড়ালকে ফাঁসিতে ঝুলানো, বিড়ালকে কেটে টুকরো টুকরো করে সাজিয়ে ছবি দেয়া, শেয়াল পিটিয়ে মেরে মেরে সাজিয়ে রাখা, কুকুরকে বিষ দিয়ে একাধারে মেরে ফেলা, ফেইসবুকে লাইভ করে বাজারে ভিড় জমিয়ে জীবন্ত মুরগিকে ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাওয়া এবং সঙ্গমরত কুকুরের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দেবার মত বহু ঘটনা বাংলাদেশে ঘটেছে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে আলোচিত হবার অসুস্থ মানসিকতা থেকে অনেকেই এমন সহিংস কাজ করেন। ভীতিকর এবং দুঃখজনক হল- এসবই প্রাণিপ্রেমিদের আলোচনায় সীমাবদ্ধ থেকেছে অথবা প্রাণিপ্রেমিদের বাড়াবাড়ি হিসেবে গন্য হয়েছে।

 

ড. হ্যারোল্ড এর গবেষণায় স্পষ্ট দেখা যায়- যারা প্রাণির প্রতি নিষ্ঠুরতা করেন, তারা ধীরে ধীরে সুযোগমত তা মানুষের উপরও প্রয়োগ করেন। পশ্চিমা বিশ্ব এবং আমাদের দেশে এই বিষয়ে মোটা দাগে একটি পার্থক্য হল- তাঁরা গবেষণা করে অপরাধীর সূতিকাগার খুঁজে বের করেছেন। অপরদিকে আমরা অপরাধীকে চিহ্নিত করতে পারি মানুষের উপর চড়াও হবার পর। কারণ, এর আগের নির্মমতা বা প্রাণিদের প্রতি তার নির্যাতনের ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা অথবা শখ হিসেবে ছাড় দেয়া হয়েছে পরিবার ও সমাজ থেকে। পরিশেষে আমাদের তেমন কোন তথ্যও নেই বিষয়গুলো খতিয়ে দেখবার জন্য।

 

উল্লেখ্য, গত ২০১৬ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই প্রাণি নির্যাতনকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে নিচ্ছে। এবং মানুষ হত্যার তদন্তের মতই একই প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত করেছে।

 

শুরুতেই বলেছি- অপরাধী হয়ে কেউ জন্মায় না, তাহলে অপরাধী তৈরি হবার কারখানা কোথায়? মূলত পরিবারই হল এই কারখানা। ড. হ্যারোল্ড দেখিয়েছেন, শিশুদের মনোবিকারের জন্য প্রধানত দায় পরিবারের সদস্যদের। যে শিশু নানা ধরণের শারিরিক বা মানসিক নির্যাতনের স্বীকার হয় অথবা পারিবারিক কলহে বেড়ে উঠে, তাদের মাঝে অপরাধ প্রবণতা বেশি দেখা যায়। পশ্চিমা বিশ্বের পরিবারগুলোতে প্রায় প্রত্যেকের বাড়িতে পোষা প্রাণি রয়েছে। কাজেই,নির্যাতিত শিশু তার ক্রোধ পর্যবসিত করতে পোষা প্রাণির উপর নির্যাতন করে। অন্যদিকে,পরিবারের প্রভাবশালী সদস্য নিজের আধিপত্য বিস্তার এবং ভীতিকর আবহ সৃষ্টি করে রাখতেও বাসার পোষা প্রাণির উপর অত্যাচার করেন। ফলে, সেই বাসার শিশুরা একটা ভীতির মাঝে বেড়ে ওঠে। এদেশে বাড়িতে বাড়িতে পোষা প্রাণি খুব বেশি দেখা না গেলেও,আমাদের সমাজে বহু পথপ্রাণি রয়েছে। যাদেরকে বেওয়ারিশ বলে আখ্যায়িত করা হয়। ফলে, শিশুদের নির্যাতনের স্বীকার হয় এই “বেওয়ারিশ” প্রাণিগুলো। অভিভাবকরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এগুলো উপেক্ষা করেন। যেহেতু প্রাকৃতিক ভাবেই শিশুরা প্রাণির প্রতি ভালবাসা নিয়ে জন্মায়, সেহেতু কোন শিশু যদি কোন প্রাণির প্রতি নির্মমতা করে- বুঝতে হবে সেই শিশুর বিকশিত হবার পরিবেশ সুস্থ নয় এবং সে কোনো না কোনো অপরাধের সাক্ষী।

 

অভিভাবকের গালাগাল, আক্ষেপ, বাবা-মা’র ঝগড়া, স্কুলে বন্ধুদের দ্বারা অপদস্থ হওয়া-এমন নানাবিধ কারণে একটি শিশুর মাঝে অপরাধী হয়ে বেড়ে ওঠার সম্ভাবনার বীজ রোপন হয়। যার ফলশ্রুতিতে অপরাধ চর্চা শুরু হয় নিজের বাড়ি থেকেই এবং তার স্বীকার হয়- বাসার গৃহপরিচারিকা, ছোট ভাই-বোন, শারিরিকভাবে পঙ্গু বয়স্ক মানুষ অথবা পোষা প্রাণি। সবচেয়ে দুর্বলকে দিয়ে শুরু করে নির্যাতনের লক্ষ্য পরিবর্তিত হয় বয়স বাড়ার ভিত্তিতে।

 

বিস্মিত হবার মত একটি তথ্য হল- ১৯৬২ সালের পূর্বেও পশ্চিমা দেশগুলোতে অভিভাবক কর্তৃক শিশু নির্যাতন হতে পারে-এটি মনেই করা হত না। এবং ১৯৮০ সালের পূর্বে শিশুদের উপর পরিবারের সদস্য কর্তৃক যৌন নিপীড়ন হতে পারে-সেটিও মনে করা হত না। এটি প্রথম সন্দেহ এবং আমলে নেন ড. হেনরি কেম্প। প্রায়শই দেখা যেত সন্তানের ভাঙ্গা হাত অথবা চোখে-মুখে ক্ষত নিয়ে অভিভাবকরা আসতেন চিকিৎসা নিতে। বলা হত দুর্ঘটনায় এমনটি হয়েছে। বার বার ঘুরে ফিরে পশ্চিমাদের কথা আসছে এ কারনে যে, আমাদের সমাজে সন্তানকে পেটানো, স্ত্রীকে পেটানো অথবা বৃদ্ধ বা দুর্বল মানুষকে নির্যাতন করা একটি স্বাভাবিক ঘটনা এখনো। কাজেই, আমরা হয়তো নানাভাবে পশ্চিমাদের নগর কাঠামো এবং প্রযুক্তিগত উন্নতির দিকে ধাবিত হচ্ছি- কিন্তু আদর্শিক বা নীতিগত উন্নতির বিষয়টি প্রাধান্য দিচ্ছি না। ফলে, পশ্চিমারা যে সব সামাজিক ব্যাধি থলেয় লুকিয়ে বেরাচ্ছে,আমাদেরও সেই পরিণতি হবে। হিউম্যান সোসাইটি অব ইউনাইটেড স্টেট এর একটি জরিপে দেখা যায়- খোদ যুক্তরাষ্ট্রে বছরে দশ মিলিওন প্রাণি নির্যাতনের স্বীকার হয়। যার মাঝে মালিক কর্তৃক কুকুর-বিড়াল ধর্ষণের মত ঘটনাও রয়েছে।

 

শুরুতে উল্লেখ করা সেই বিড়াল হত্যাকারী কিশোরী অথবা তার মত আরো যারা আমাদের চারপাশে বিনা সংশোধনিতে ঘুরে বেরাচ্ছেন, তারা প্রত্যেকে ভবিষ্যতের মারাত্মক বিপদের কারণ হতে পারেন।

 

কাজেই, প্রাণির প্রতি যেকোনো ধরণের সহিংসতা এবং স্বাভাবিক সহমর্মিতা প্রকাশ না করা একটি সামাজিক অস্থিরতার পরিচায়ক। এধরনের বিষয় আলোচনা বা আমলে নেয়াটা প্রাণিপ্রেম শব্দ দিয়ে হাল্কা করে দেয়ার উপায় নেই। আমাদের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিচার-বিভাগ, সমাজ বিজ্ঞানী, মনোবিজ্ঞানি এবং গবেষকদের এসব বিষয়ে তদন্ত শুরু করতে হবে। একি সাথে অস্থির সামাজিক ব্যবস্থাপনার মাঝে অভিভাবকদের সচেতন থাকতে হবে নিজের এবং সন্তানের আচরণ সম্পর্কে। প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশুনা করে কেবল ভাল চাকুরি প্রাপ্তির চেয়ে সামাজিক মূল্যবোধে বিকশিত হয়ে বিশ্বজনীন হয়ে ওঠাটা বেশি জরুরী। প্রাণি- প্রকৃতিকে ভালবেসে সমাজের সব স্তরেই মানবিকতার চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে।

 

কেবলমাত্র তাহলেই আমরা একটি সহিংসতা বর্জিত সহানুভূতিশীল সমাজ পাবো।

 

লেখক: স্থপতি ও প্রাণি অধিকার কর্মী, (PAW) পিপল ফর এনিমেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন।
LIVE
Play
জয়নুলের ‘বিদ্রোহী’
সুরের রাজা কিশোর কুমার
দুধের ঘোল এবং তামাশা
কোন পথে বাংলাদেশের ক্রিকেট?