সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ২৮৮ জন। ♦♦ নতুন ২৯ জনের মৃত্যুর ফলে দেশে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৯৯৭ জনে। নতুন ৩ হাজার ২৮৮ জনসহ মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬৭৯ জন। ♦♦ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৬৭৩ জন। আর মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৭০ হাজার ৭২১ জন। ♦♦ করোনা উপসর্গ দেখা দিলে অথবা করোনা বিষয়ক জরুরি স্বাস্থ্যসেবা পেতে ৩৩৩ অথবা ১৬২৬৩ নম্বরে কল করুন এবং তথ্য পেতে www.corona.gov.bd ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।। এ ছাড়া আইইডিসিআরের ইমেইল বা ১৬২৬৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। ♦♦ www.livecoronatest.com এ আপনি ঘরে বসেই কোভিড-১৯ বা নভেল করোনা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত কি'না, তা নিজেই মূল্যায়ন করতে পারবেন। এমনকি আপনার ঝুঁকির মাত্রা ও করনীয় সম্পর্কেও জানতে পারবেন।

আন্তর্জাতিক, করোনা ভাইরাসের সর্বশেষ খবর, বাংলাদেশ

প্ল্যাজমা থেরাপি ও রেমডেসিভিরকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার না

মহামারি কভিড-১৯ এর চিকিৎসায় বহুল আলোচিত রেমডেসিভিরসহ অন্যান্য অ্যান্টিভাইরাল ওষুধের চূড়ান্ত ব্যবহার না করার সুপারিশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের বাইরে বিকল্প চিকিৎসা হিসেবে প্লাজমা থেরাপিও ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছে জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিষয়ক এই সংস্থাটি।

ডব্লিউএইচও রেমডেসিভির ব্যবহার না করার এই পরামর্শ এমন এক সময় এল যখন বাংলাদেশের বেশ কিছু ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি ওষুধটির উৎপাদন শুরু করে দিয়েছে।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এক ট্রায়ালে সফলতা আসায় প্ল্যাজমা থেরাপিও বিভিন্ন হাসপাতালে জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

নভেল করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় কোনও ধরনের অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

বুধবার সংস্থাটির প্রকাশিত করোনা গাইডলাইনে বলেছে, তাদের আগের গাইডলাইনে পরিবর্তন আনা হয়নি। পূর্ববর্তী এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক মানসম্মত গাইডলাইনের সঙ্গে সমন্বয় করে গাইডলাইনগুলো তৈরি করা হয়েছে।

রেমডেসিভির এবং অন্যান্য অ্যান্টিভাইরাল ওষুধের ব্যাপারে ডব্লিউএইচও বলেছে, কয়েকটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল এবং পর্যবেক্ষণের ওপর ভিত্তি করে বিদ্যমান গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে।

নভেল করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় এসব ওষুধের কোনোটিরই উচ্চমানের ইতিবাচক ফল পাওয়ার প্রমাণ মেলেনি। এমনকি এসব ওষুধের জটিল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।

জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিষয়ক এই সংস্থাটি কভিড-১৯ এর চিকিৎসায় ম্যালেরিয়ারোধী ওষুধ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন এবং ক্লোরোকুইন ব্যবহারের বিরুদ্ধে সতর্ক করে দেয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ মানুষের শরীরে মৃদু এবং ৪০ শতাংশের মাঝারি উপসর্গ দিয়ে রোগটির শুরু হয়।

এছাড়া ১৫ শতাংশের গুরুতর আকার ধারণ করে; যাদের অক্সিজেন প্রয়োজন হয়। অন্য ৫ শতাংশের অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়; যারা আগে থেকে ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, কিডনিসহ অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্ত।

বিশ্বজুড়ে করোনার প্রকোপের দেড়শ দিনের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত এর কোনও প্রতিষেধক কিংবা ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়নি। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শতাধিক ভ্যাকসিন তৈরির প্রকল্প চলমান রয়েছে। এসব ভ্যাকসিনের মধ্যে অন্তত ৬টি প্রথম ধাপের ট্রায়াল সফল হওয়ায় দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে।

তবে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, নভেল করোনাভাইরাসের চূড়ান্ত ভ্যাকসিন পেতে ১২ থেকে ১৮ মাস সময় লাগতে পারে। এমনকি কভিড-১৯ এর কোনও ভ্যাকসিন কখনও নাও পাওয়া যেতে পারে বলেও সতর্ক করে দিয়েছেন তারা।

ফই/সাহু/ফই

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LIVE

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশ

আক্রান্ত
১৫৯৬৭৯
সুস্থ
৭০৭২১
মৃত্যু
১৯৯৭
সূত্র:আইইডিসিআর

বিশ্ব

আক্রান্ত
১১২০৯০৩৩
সুস্থ
৬৩৫৬১৮১
মৃত্যু
৫২৯৪৭৫
সূত্র: ওয়ার্ল্ড মিটার
চোখে মুখে মৌমাছি নিয়ে চার ঘণ্টা!
বলিউড, মানসিক চাপ, আত্নহনন
দ্রুত ভ্যাকসিন পৌঁছে দিতে চায় বিল গেটস ফাউন্ডেশন
ভিডিয়ো কনফারেন্স অ্যাপ মিট এখন জিমেলের সাথে যুক্ত