ফিচার , , , , ,

ফোর্বসের তালিকায় ২০১৯ সালে ভারতের শীর্ষ ধনী

জাবের হাসান

ভারতে একশোর বেশি শিল্পপতির সম্পত্তির পরিমাণ গত বছরের তুলনায় কমেছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও কয়েকজন শিল্পপতি আবার এই মন্দার সময়েও সম্পত্তির পরিমাণ বাড়িয়ে নিয়ে নিজের জায়গা ধরে রেখেছেন। সম্প্রতি ফোর্বস ম্যাগাজিন ভারতে ধনীদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। প্রথম ১০ জন ধনী কারা দেখে নেয়া যাক।

১.

গত ১১ বছর ধরে ভারতের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় প্রথমে আছেন রিলায়্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানী। এ বারও স্থান বদল হয়নি তার। ২০১৯ সালেও ফোর্বসের বিচারে তিনিই ভারতের ধনীতম ব্যক্তি। আম্বানীর সম্পত্তির পরিমাণ চার লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।

মুকেশ আম্বানী

২.

২০১৮ সালে টেক টাইকুন আজিম প্রেমজি ছিলেন দ্বিতীয় স্থানে। কিন্তু এ বছর তিনি নেমে গিয়েছেন ১৭ নম্বরে। আর দ্বিতীয় ধনী হিসাবে উঠে এসেছে গৌতম আদানির নাম। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ এক লাখ ৩৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা।

গৌতম আদানি

৩.

ভারতীয় ধনীদের তালিকায় তৃতীয় স্থানে পৌঁছে গিয়েছেন অশোক লেল্যান্ডের মালিক হিন্দুজা ব্রাদার্স। তাদের সম্পত্তির পরিমাণ এক লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা।

হিন্দুজা ব্রাদার্স

৪.

চতুর্থ স্থানে রয়েছেন পালোনজি গ্রুপের পালোনজি মিস্ত্রি। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ এক লাখ ২৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা।

পালোনজি মিস্ত্রি

৫.

এই তালিকার প্রথম পাঁচে স্থান পেলেন কোটাক মহেন্দ্র গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর উদয় কোটাক। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ এক লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা

উদয় কোটাক

৬.

এইচসিএলের প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান শিব নাদার রয়েছেন ষষ্ঠ স্থানে। এক লাখ ২২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা তাঁর সম্পত্তি।

শিব নাদার

৭.

সপ্তম স্থানে রয়েছেন ডিমার্টের প্রতিষ্ঠাতা রাধাকৃষাণ দামানি। সম্পত্তির পরিমাণ এক লাখ ২২ হাজার কোটির কিছু কম।

রাধাকৃষাণ দামানি

৮.

অষ্টম ভারতীয় ধনী হল গোদরেজ পরিবার। সম্পত্তির পরিমাণ এক লাখ দুই হাজার কোটি টাকা।

গোদরেজ পরিবার

৯.

নবম ধনী হলেন লক্ষ্মী মিত্তাল। স্টিল ম্যাগনেট লক্ষ্মী মিত্তালের সম্পত্তির পরিমাণ ৮৯ হাজার ৯ শত ২৮ কোটি টাকা।

লক্ষ্মী মিত্তাল

১০.

দশম ধনী ভারতীয় হলেন আদিত্যা বিড়লা গ্রুপের চেয়ারম্যান কুমার মঙ্গলম বিড়লা। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ৭৮ হাজার কোটি টাকা।

কুমার মঙ্গলম বিড়লা

LIVE
Play
চীনা ইউটিউবার লি জিকি: রূপকথার দেশের কৃষক
দিল্লির বায়ু দূষণ: অক্সিজেন কিনছেন মানুষ
পেঁয়াজের ঝাঁঝালো কথা
৮০ শতাংশ ক্ষেত্রেই অভ্যাসজনিত কারণে মেরুদণ্ডের রোগ হয়