দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার তদারকিতেও শিক্ষার্থীরা। ফলে কাঁচা বাজারে দৌরাত্ম্য কমেছে চাঁদাবাজদের, দাবী ব্যবসায়ীদের। এতে খরচ কমে পণ্যের মূল্য কমতির দিকে। শাক-সবজি, মাছ-মাংসসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য মূল্যে স্বস্তি সাধারণ মানুষের মাঝে।
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে তরুনদের ছুটে চলা এবার নিত্য পণ্যের বাজারে। রাজধানীর কাওরান বাজারে পণ্যের মূল্য পর্যবেক্ষনে নেমে দামে অসামঞ্জস্যতা পেলে ব্যবসায়ীদের এভাবেই সর্তক করছেন শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষ নাগালে আনতে বিক্রেতাদের সহযোগিতা চান তারা।
সরকার পতনের পর পরই দ্রব্য মূল্য কমতির দিকে। তিনদিন আগে বাজারে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায়। এখন তা নেমে এসেছে ২৪০ টাকায়। অন্য সবজির দামও কমতির দিকে। বেগুনের দাম কমে দাঁড়িয়েছে ৮০ টাকা। পটল এখন ৩৫ টাকা। কমেছে কাকরোল ও লাউয়ের দাম। সপ্তাহ ব্যবধানে দাম কমায় খুশী ক্রেতারা।
সিন্ডিকেটের কারসাজি না থাকায় সুফল মিলছে বাজারে দাবী বিক্রেতাদের।
শুধু শাক-সবজি নয় মাছ-মাংসের বাজারও নিন্মমূখী। ইলিশ কেজিতে আড়াইশো টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে তেরশো টাকায়। বারোশো টাকার বোয়াল মিলবে হাজার টাকায়। গরুর মাংস কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায়। মুরগি পাকিস্তানী ৩০০ থেকে কমে ২৮০ টাকা। দেশী মুরগী বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ করে।
সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটকে সম্পূর্ণ রুপে বিতারিত করতে পারলে পণ্যদ্রব্যের মূল্য আরো সহনীয় পর্যায় নেমে আসবে একইসাথে বাজার ফিরবে স্বস্তি, বলেছেন ক্রেতারা।