♦♦ সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ১৬৬ জন। ♦♦ করোনা উপসর্গ দেখা দিলে অথবা করোনা বিষয়ক জরুরি স্বাস্থ্যসেবা পেতে ৩৩৩ অথবা ১৬২৬৩ নম্বরে কল করুন এবং তথ্য পেতে www.corona.gov.bd ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।। এ ছাড়া আইইডিসিআরের ইমেইল বা ১৬২৬৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। ♦♦ www.livecoronatest.com এ আপনি ঘরে বসেই কোভিড-১৯ বা নভেল করোনা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত কি'না, তা নিজেই মূল্যায়ন করতে পারবেন। এমনকি আপনার ঝুঁকির মাত্রা ও করনীয় সম্পর্কেও জানতে পারবেন।

আন্তর্জাতিক, আলোচিত, ফিচার , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

বাবরি মসজিদ-রাম মন্দির বিতর্ক

ষোড়শ শতাব্দীতে মুঘল সেনাপতি মির বাকি একটি মসজিদ নির্মাণ করেন, যা বাবরি মসজিদ নামে পরিচিত। তিনি যে স্থানে মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন- হিন্দু ধর্মমতের কিছু অনুসারী বলে থাকেন তা আসলে দেবতা রামের জন্মভূমি।

দীর্ঘদিন ধরেই স্থানটির দখল নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। দেখে নেয়া যাক এ স্থানটির ইতিহাস।

১৫২৮: নির্মিত হয় বাবরি মসজিদ। হিন্দু ধর্মের কিছু অনুসারীদের মতে, দেবতা রাম যেখানে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন সেখানে বাবরি মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে।

১৮৫৩: বাবরি মসজিদের জায়গাকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর ব্রিটিশরা দুই ধর্মের উপাসনার জন্য ভিন্ন ভিন্ন জায়গা করে দেয়।  ভেতরের অংশ মুসলিমদের জন্য এবং বাইরের অংশ হিন্দুদের ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত হয়।

১৯৪৯: মসজিদের ভেতরে রামের মূর্তি পাওয়া যায়। মুসলিমরা প্রতিবাদ জানায় এবং দুই পক্ষই মামলা করে। সরকার জায়গাটিকে বিতর্কিত বলে ঘোষণা দেয় এবং দরজা বন্ধ করে দেয়।

১৯৮৬: জেলার বিচারকের আদেশে মসজিদের দরজা খুলে দেয়া হয় হিন্দুদের উপাসনার জন্য।

১৯৯০: বিজেপি নেতা এল. কে. আদভানি রাম রথযাত্রা নামের একটি রাজনৈতিক শোভাযাত্রার আয়োজন করেন। শোভাযাত্রাটি গোটা উত্তর ভারত ঘুরে অযোধ্যাতে এসেছিল।

১৯৯১: অযোধ্যা যে রাজ্যে অবস্থিত, সেই উত্তর প্রদেশে ক্ষমতায় আসে বিজেপি।

৬ ডিসেম্বর ১৯৯২: ভিএইচপি, বিজেপি এবং শিব সেনার কর্মী সমর্থকরা বাবরি মসজিদটি গুঁড়িয়ে দেয়। এর ফলশ্রুতিতে পুরো ভারতে হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে সংগঠিত দাঙ্গায় ২ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়।

২০০১: স্থানটিতে আবারো মন্দির তৈরির দাবি তোলে ভিএইচপি। বিশেষ জজ মসজিদ ভাঙ্গার দায়ে অভিযুক্ত ১৩ জনকে খালাস দেয়। খালাস প্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন এল কে আদভানী ও কল্যাণ সিং।

২০০২: অযোধ্যা থেকে ফিরতে থাকা হিন্দু কর্মীদের বহনকারী একটি ট্রেনে হামলার ঘটনায় অন্তত ৫৮ জন মারা যায়। আবারো দাঙ্গার সূত্রপাত হয়। নিহত হন প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার মানুষ।

জানুয়ারি ২০০৩: ঐ স্থানে রাম মন্দিরের নিদর্শন আছে কিনা, তা যাচাই করতে আদালতের নির্দেশে নৃতত্ববিদরা জরিপ শুরু করেন।

অগাস্ট ২০০৩: জরিপে প্রকাশিত হয় যে মসজিদের নিচে মন্দিরের চিহ্ন রয়েছে, কিন্তু মুসলিমরা এই দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

২০১০: এলাহাবাদ হাইকোর্ট স্থানটির নিয়ন্ত্রণ ভাগাভাগি করে দেয়ার রায় দেয়। কোর্টের রায় অনুযায়ী এক-তৃতীয়াংশের নিয়ন্ত্রণ মুসলিমদের, এক-তৃতীয়াংশ হিন্দুদের এবং বাকি অংশ ‘নির্মোহী আখারা’ গোষ্ঠীর কাছে দেয়া হয়।

২০১১:  ২০১০ সালের রায়ের বিরুদ্ধে হিন্দু-মুসলিম দুই পক্ষ আপিল করায় হাইকোর্টের পূর্ববর্তী রায় বাতিল করে সুপ্রিম কোর্ট ।

নভেম্বর ২০১৯: বিতর্কিত জায়গাটিতে মন্দির তৈরির পক্ষে রায় দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট, পরিবর্তে অযোধ্যার অন্য কোনও স্থানে মসজিদ নির্মাণের জন্য ৫ একর ভূমি পাবে মুসলিমরা।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LIVE


বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশ

আক্রান্ত
৩৬৭৫১
সুস্থ
৭৫৭৯
মৃত্যু
৫২২
সূত্র:আইইডিসিআর

বিশ্ব

আক্রান্ত
৫৬০৩০৩৭
সুস্থ
২৩৮১৬১৪
মৃত্যু
৩৪৮১৬৬
সূত্র: ওয়ার্ল্ড মিটার
ঈদের ইতিহাস
ঘূর্ণিঝড়ের নাম যেভাবে রাখা হয়
ঘূর্ণিঝড়ের সংকেত ও এর অর্থ
বারবার হাত ধোয়ার কারণে ত্বক শুকিয়ে গেলে যা করবেন