১২/১২/২০২৫, ১৮:০৯ অপরাহ্ণ
23 C
Dhaka
১২/১২/২০২৫, ১৮:০৯ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

বিজিবি’র পৃথক অভিযানে নেত্রকোনার সীমান্ত থেকে বিদেশী মদসহ আটক ২

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পৃথক পৃথক অভিযানে নেত্রকোনা সীমান্তবর্তী উপজেলা কলমাকান্দা হতে ৮৩ বোতল বিদেশী মদসহ দুজন চোরাচালানিকে আটক করেছে। জব্দকৃত এসব মাদক নেত্রকোনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং আটক দুজনকে কলমাকান্দা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বিজ্ঞাপন

জব্দকৃত মদের মধ্যে রয়েছে- ৯ বোতল আইস ভদকা, ৪০ বোতল এসি ব্ল্যাক, ২৬ বোতল রয়েল স্ট্যাগ, ৬ বোতল এমসি ডুয়েলস ও ২ বোতল ব্লেন্ডার প্রাইড ব্র্যান্ডের ভারতীয় মদ।

আটক দুই চোরাকারবারিরা হলেন- কলমাকান্দার সন্ন্যাসীপাড়া গ্রামের মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে মো. হানিফ (২০)। অপরজন হলেন- ময়মনসিংহ তারাকান্দা উপজেলার কোদালদার গ্রামের মো. শফিকুল ইসলামের ছেলে মো. মাহামুদ আলম (২২)।

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) পৌনে ১১টার দিকে প্রেরিত পৃথক পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান, নেত্রকোনা ব্যাটালিয়নের (৩১) অধিনায়ক লে. কর্ণেল এ এস এম কামরুজ্জামান (পিবিজিএম)।

৩১ বিজিবি’র অধিনায়ক জানান, আজ (শুক্রবার) সকাল পৌনে ৭টার দিকে নিজেস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নেত্রকোনা ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ অধীনস্থ বরুয়াকোনা বিওপি’র (বর্ডার অবজারবেশন পোষ্ট) ছয় সদস্যের একটি বিশেষ টহল দল মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ অভিযানে ওই বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার ১১৮১/৩-এস হতে আনুমানিক তিনশো গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে রংছাতি ইউনিয়নের পাতলাবন নামক এলাকা থেকে ভারতীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডে ৩৫ বোতল মদসহ দুজন চোরাকারবারিকে আটক করতে সক্ষম হয় টহল দলটি।

তিনি আরো জানান, এরআগে গত বৃহস্পতিবার দিনগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে একই ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ খারনৈ বিওপি’র সাত সদস্যের আরেকটি টহল দল মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ টহল দলটি এই বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার ১১৭৭/৫-এস হতে আনুমানিক চারশো গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে খারনৈ ইউনিয়নের গলাছড়া নামক এলাকা থেকে মালিকবিহীন ৪৮ বোতল বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ভারতীয় মদ জব্দ করে।

পড়ুন: গাজীপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযান নিয়ে সেনা বাহিনীর প্রেস ব্রিফিং

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন