বাংলাদেশ, শীর্ষ খবর , ,

বেরোবি উপাচার্যের অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে ইউজিসি

পরামর্শককে সরিয়ে দেন, বদলে ফেলেন ঠিকাদার আর নকশা। ভবন নির্মাণে এমন অভিযোগ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর বিরুদ্ধে। তদন্তে তথ্যপ্রমাণও পেয়েছে ইউজিসির কমিটি। ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করে, প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ে।

উত্তরাঞ্চলের বহু আরাধ্য এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানে ২০১৭ সালে ছাত্রীদের জন্য, একটি আবাসিক হল উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১০ তলা হলটি প্রধানমন্ত্রীর নামেই। ব্যয় ধরা হয়, সাড়ে ৪৮ কোটি টাকার কিছু বেশি। নির্মাণ শেষ হওয়ার কথা ২০১৮ সালের ২১ জানুয়ারি। কিন্তু, ২০২১ সালে এসেও বড় অগ্রগতি নেই।

বিশিষ্ট পরামাণুবিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের ভবন নির্মাণের চুক্তিমূল্য ছিলো ২৫ কোটি ২৭ লাখ টাকা। এর কাজও শুরু হয় ২০১৭ সালে। পরের বছরের আগস্টে কাজ শেষ হওয়ার কথা, কিন্তু, থমকে আছে আজও।

কি কারণে এমন দশা? প্রশ্ন ওঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর ভূমিকা নিয়ে। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে নামে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। প্রায় এক বছরের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, অনিয়মের নানা চিত্র।

ইউজিসির প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ভবন নির্মাণের পরামর্শককে সরিয়ে দেন উপাচার্য। বদলে ফেলেন ভবনের নকশা, নিয়োগ দেন পছন্দের নতুন ঠিকাদার। নকশা বদলে ফেলায়, ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে, রয়েছে এমন অভিযোগও।

তদন্ত কমিটির, আহবায়ক, ড. মুহাম্মদ আলমগীর জানান, মন্ত্রণালয়ের চিঠির প্রেক্ষিতে সরেজমিনে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলেছেন । এবং সেই সাথে ডকুমেন্টস দেখে একটা বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।

তিনটি অবকাঠামো নির্মাণে অবহেলা, দীর্ঘসূত্রতা ও অচলাবস্থার উল্লেখ রয়েছে ইউজিসির প্রতিবেদনে। যাকে দেখা হচ্ছে, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনৈতিকতা, অদক্ষতা ও ব্যক্তিগত ইচ্ছা-অনিচ্ছার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে।

তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেছে নাগরিক। কিন্তু, তিনি ফোন ধরেননি।

আমিমুল হাসান/লিশা//

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LIVE

হেঁচকি ওঠার কারণ ও কমানোর উপায়
মশা তাড়াতে যেসব উপকরণ ব্যবহার করা যায়
গ্রিন টির ভালো-মন্দ
পাহাড়ের ভাষা, সমতলের ভাষা