১০/০২/২০২৬, ১৫:২৫ অপরাহ্ণ
26 C
Dhaka
১০/০২/২০২৬, ১৫:২৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

কপালে ১৩ সেলাই, হাসপাতালে ভাগ্যশ্রী

বলিউডের বরেণ্য অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। ৫৬ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী সম্প্রতি পিকলবল খেলতে গিয়ে কপালে আঘাত পেয়েছেন। কপালে ১৩টি সেলাই পড়েছে, যা তাকে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাকতে বাধ্য করেছে। ভাগ্যশ্রী বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় আছেন, তবে চিকিৎসক তাকে কয়েক দিন বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

১৩ মার্চ, বৃহস্পতিবার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক ছবি ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে তাকে হাসপাতালে শুয়ে থাকতে দেখা যায়। একটি ছবিতে তাকে চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকতে দেখা যায়, আর চিকিৎসক তার কপালে ওষুধ লাগাচ্ছেন। আরেকটি ছবিতে কপালে ব্যান্ডেজ বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়। তার ভক্তরা অভিনেত্রীকে এমন অবস্থায় দেখে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন এবং দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করেছেন।

তার ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন আশির দশকের শেষের দিকে, এবং ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’ সিনেমার মাধ্যমে তিনি বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। সালমান খানের বিপরীতে অভিনয় করে সিনেমাটি দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। তার অভিনয় জীবনের এই সিনেমাই তার ভাগ্য বদলে দেয়। এরপর তিনি বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয় করেছেন, তবে তার জীবনযাত্রার কারণে ক্যারিয়ারে মাঝে মাঝে বিরতি নিয়েছেন।

এখনো মাঝে মাঝে সিনেমায় দেখা যায় তাকে, এবং তার বয়স ৫৬ হলেও তার চেহারায় কোনো বিশেষ পরিবর্তন হয়নি। ২০২৩ সালে তিনি চারটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন, যার মধ্যে তার সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ছিল ‘সজিনি সিন্ধে কা ভাইরাল ভিডিও’, যা পরিচালনা করেছেন মিখিল মুসালে।

অভিনেত্রীর ভাগ্যশ্রী এ ধরনের দুর্ঘটনা শুনে তার অনুরাগীরা তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন

এবং অনেকেই তাকে ভবিষ্যতে খেলাধুলা করার সময় আরও সতর্ক থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি এখন স্থিতিশীল আছেন এবং চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে তার কয়েক দিনের বিশ্রাম প্রয়োজন।

বর্তমানে পুরোপুরি সুস্থ না হলেও তার অনুরাগীদের শুভেচ্ছা ও সমর্থন তাকে শক্তি যোগাচ্ছে।

পড়ুন: ইউটিউব দেখে শিখেছেন সোনা পাচার, চাঞ্চল্যকর তথ্য অভিনেত্রীর

দেখুন: হিরো আলমের বিরুদ্ধে জিডি করলেন তার নায়িকা |

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন