“ভোট হচ্ছে প্রবাসীদের নাগরিক অধিকার”—এই বার্তাকে সামনে রেখে জাপানের টোকিও সাইতামায় এনসিপি জাপান শাখা ১৭ জুন এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা কোটি প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক শুধু দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে নয়, বরং দেশের গণতন্ত্র ও ন্যায়ের লড়াইটিতেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে চলেছেন। তারই সাম্প্রতিক উদাহরণ—জুলাই মাসের আন্দোলনে প্রবাসীদের ভূমিকা, যেখানে ‘রেমিট্যান্স শাটডাউন’ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রবাসীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। এটি ছিল একটি ঐতিহাসিক প্রমাণ যে, প্রবাসীরা কেবল অর্থ পাঠান না—তারা দেশের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বিগ্ন এবং সক্রিয়।
আরও বলেন, কিন্তু এতকিছুর পরও, আমরা অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলছি, এখনো প্রবাসী নাগরিকরা বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
এটি একটি মৌলিক, সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার নামান্তর।
দাবিগুলো হলো:
১. প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার আইনগতভাবে ও সাংবিধানিকভাবে নিশ্চিত করতে হবে।
২. বিদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের জন্য দূতাবাস/কনস্যুলেটের মাধ্যমে বা অনলাইন পদ্ধতিতে ভোট প্রদানের সুযোগ চালু করতে হবে।
৩. নির্বাচন কমিশন ও সরকারকে এই বিষয়ে একটি বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ দ্রুত প্রকাশ করতে হবে।
৪. এই দাবি কোনো রাজনৈতিক দলের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে নয়, বরং বাংলাদেশের সকল নাগরিকের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি।
এনসিপি জাপান শাখা, সকল প্রবাসী ভাই-বোনদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে প্রবাসী ভোটাধিকার অবশ্যম্ভাবীভাবে নিশ্চিত করতে হবে।
পড়ুন : জুলাই সনদ কার্যকর ও বিচারের রোডম্যাপ ঘোষণার পরই নির্বাচন : এনসিপি


