ফিচার , , , , , , , ,

মরা তিমির পেটে ১০০ কেজি সামুদ্রিক বর্জ্য!

মরা তিমির পেটে ১০০ কেজি সামুদ্রিক বর্জ্য! বের  করা হয়েছে প্লাস্টিকের দড়ি, প্লাস্টিকের কাপ, প্লাস্টিকের গ্লাভস আর মাছ ধরার জাল সহ আরো অনেক কিছু।

এ তথ্য অবাক করার মতো হলেও স্কটল্যান্ডের সমুদ্র সৈকতে একটি মরা তিমি মাছের পেট থেকে মিলেছে এই বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক বর্জ্য।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) প্রায় ২০ টন ওজনের একটি মরা তিমির মৃতদেহ আইল অব হ্যারিস পর্যন্ত এসে পৌঁছায়। তীরে স্থানীয় বাসিন্দারা ওই মৃতদেহটি দেখতে পান।

এই ঘটনার পরে সমুদ্রের দূষণ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয় বাসিন্দারা। ঐ এলাকায় বসবাসকারী ডেইনি প্যারি বলেন, ‘খুবই দুঃখের বিষয় যে আমরা দেখতে পাচ্ছি তিমি মাছের পেটের মধ্যে থেকে মাছ ধরার জালের মতো জিনিস বেরোচ্ছে’।

স্কটিশ মেরিন অ্যানিমাল স্ট্র্যান্ডিং স্কিম তিমি মাছটির ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেছে। এই সংগঠনটি তিমি এবং ডলফিনের মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ করে থাকে।

সংগঠনটির ফেসবুক পেজে লেখা হয়েছে, ‘তিমির পেট থেকে এত প্লাস্টিক বের হওয়া রীতিমতো ভয়ানক বিষয়। এতটা প্লাস্টিক মাছের হজম শক্তির উপর খুবই খারাপ প্রভাব ফেলেছিল’। তাদের আশঙ্কা সমুদ্রের এমন দূষণের ফলে আরও অনেক প্রাণি একইভাবে মৃত্যুর মুখোমুখি হচ্ছে।

ইউকে ক্যাটাসিয়ান স্ট্রান্ডিং ইনভেস্টিগেশন প্রোগ্রাম (সিএসআইপি) এর হিসাবে, ২০১১ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ৪ হাজার ৮৯৬ টি মৃত প্রাণি সমুদ্রতীরে পাওয়া গিয়েছে। এই হার আগের ৭ বছরের চেয়ে ১৫ শতাংশ বেশি।

জাতিসংঘের একটি সমীক্ষা বলছে, প্রতি বছর ৫০ লাখ থেকে দেড় কোটি টন প্লাস্টিক বর্জ্য সমুদ্রে প্রবেশ করে। এর একটা বড় অংশ যায় মাছ ও সামুদ্রিক পাখিদের দেহে। মোট দূষণের প্রায় ৩০ শতাংশই প্লাস্টিকের কারণে হয়ে থাকে।

সারা বিশ্বেই সমুদ্র দূষণের মাত্রা লাগামছাড়া হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সমুদ্রের এই দুষণের একটা বড় কারণ মানুষ। মানুষের ছুঁড়ে ফেলা বা ব্যবহৃত নানা বর্জ্যর কারণে দিনের পর দিন নোংরা হচ্ছে সমুদ্রের পানি ও পরিবেশ।

LIVE


মোবাইল-টিভিতে চোখ, কতটা ক্ষতি হচ্ছে শিশুর!
কেন নেবেন কাউন্সেলিং সেবা?
টেইলর সুইফটের প্রতিদিনের রুটিন
আমাজন রেইন ফরেস্টের নিধন বেড়েছে ৮৫ শতাংশ