১৩/০২/২০২৬, ১৭:১৪ অপরাহ্ণ
27 C
Dhaka
১৩/০২/২০২৬, ১৭:১৪ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

মেহজাবীনের বিরুদ্ধে মামলা করা আমিরুল টা কে?

পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, হুমকি-ধমকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন আমিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। কিন্তু কে এই আমিরুল? কেউই তাকে চেনেন না এবং মেহজাবীন তাঁর সঙ্গে ব্যবসায়ীক সম্পর্ক তো দূরের কথা তাকে চেনেনই না।

বিজ্ঞাপন

এই মামলায় গত পরশু অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ঢাকার একটি আদালত।
বাদী আমিরুল ইসলাম সম্পর্কে জানা যাচ্ছে যে, তার বাবার নাম মৃত সাদেক আলী।
বর্তমানে তিনি থাকেন ক্যান্টনমেন্ট থানার মানিকদির নামাপাড়ায়। তার গ্রামের বাড়ি ফেনী সদরের ফতেহপুরে।
মামলার কাগজপত্রে যে নম্বর তিনি ব্যবহার করেছেন তার অস্তিত্ব নেই। সাধারণ মোবাইল নম্বর ১১ ডিজিটের হয়, কিন্তু আমিরুল ইসলাম কাগজপত্রে যে মোবাইল নম্বর দিয়েছেন তা ১২ ডিজিটের।
ফলে তার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করাও সম্ভব হচ্ছে না।
মামলায় বলা হয়েছে, বাদীর সঙ্গে দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে আসামি মেহজাবীন চৌধুরীর নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখবে বলে নগদ অর্থে এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে মোট ২৭ লাখ টাকা দেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যাবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় বাদী বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে আজকে দেব কালকে দেব বলে দীর্ঘদিন কালক্ষেপণ করে।

মেহজাবীনের সাথে পরিচয় প্রসঙ্গে আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘ফেসবুকের মাধ্যমে মেহজাবীন চৌধুরীর সাথে আমার পরিচয় হয়।
তিন-চার বছর ধরে আমাদের মধ্যে কথাবার্তা চলছিল। এরপর ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের ভিত্তিতে আমি তাকে প্রায় ২৭ লক্ষ টাকা দিই। বুটিকের ব্যবসা করার কথা বলে তিনি এই টাকা নেন।’
তিনি আরও জানান, মেহজাবীনের নামে রেজিস্ট্রিকৃত বিকাশ নম্বরে তিনি টাকা পাঠিয়েছেন। অভিযোগ করেন, ‘কয়েক মাস আমাকে মুনাফা দেওয়ার পর তারা টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেয়।
আমি তাদের বসুন্ধরার বাসার সামনে গেলে, তার ভাই ও আরও তিন-চারজন আমাকে থাপ্পড় মেরে একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। প্রায় এক ঘণ্টা পর আমার চোখ খোলে এবং আমি নিজেকে হাতিরঝিলে আবিষ্কার করি। সেখানে তারা আমাকে হুমকি দেয় যে, সমাজের গণ্যমান্য লোক হওয়ায় টাকার জন্য তাদের বাসার সামনে গেলে আমাকে মেরে ফেলে দেবে।’
এই ঘটনার পরই আমিরুল ইসলাম মামলা করার প্রস্তুতি নেন। তিনি বলেন, ‘আমি বাড্ডা থানায় ভিডিও ফুটেজের জন্য গিয়েছিলাম। এরপর হাতিরঝিল থানা ও গুলশান থানায় গিয়েছি। সব ওসির সাথেই আমার কথা হয়েছে। গতকালও বাড্ডা থানার ওসির সাথে আমার কথা হয়েছে। তারা যেন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।’

এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭/১১৭(৩) ধারায় মামলা করেন। মামলাটিতে আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য ধার্য ছিল। তবে তারা আদালতে হাজির না হওয়ায় গত ১০ নভেম্বর ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ আফরোজা তানিয়া তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

একই সঙ্গে গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।

পড়ুন- রাজামৌলির ‘বারাণসী-তে প্রিয়াংকা

দেখুন- রুশ নাশকতা ঠেকাতে সমুদ্রের গভীরে কান পেতেছে ন্যাটো | 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন