১৩/০২/২০২৬, ১৫:৪৫ অপরাহ্ণ
27 C
Dhaka
১৩/০২/২০২৬, ১৫:৪৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

মেহেরপুরের কাজিপুর সীমান্ত দিয়ে ১২ জনকে বিএসএফের হস্তান্তর

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজিপুর সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ১২ জন বাংলাদেশিকে ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে এ পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞাপন

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কাজিপুর বিওপি সীমান্ত এলাকার প্রায় ১০০ গজ অভ্যন্তরে ১৪৭ নং পিলারের বিএসএফ ও বিজিবির মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বিএসএফ ১২ জন বাংলাদেশিকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের বাড়ি খুলনা,রাজবাড়ি,সিরাজগঞ্জ,বাগেরহাট ও কুষ্টিয়া জেলায়। তারা বিভিন্ন সময় দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেছিল। পরে ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে। বিএসএফ বিজিবির কাছে হস্তান্তরের পর আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের গাংনী থানায় হস্তান্তর করা হয়।

হস্তান্তর হওয়া ব্যাক্তিরা হলো, খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার আমিরপুর —মৃত আরমান আলীর ছেলে সাহেব আলী (৫১), সদর উপজেলার বাগমারা মেইন রোড এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে ফজলে রাব্বি(৪২), দৌলতপুর উপজেলার মীরডাঙ্গা গ্রামের শহিদুল শেখের মেয়ে সুমনা(২১), রাজবাড়ী সদর উপজেলার উদয়পুর গ্রামের একরামুল হকের ছেলে মাহফুজুর রহমান ইমরান(২২), সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার দেলুয়া গ্রামের মানিক চাঁদের মেয়ে মারুফা খাতুন(১৬), বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জ উপজেলার চর হগলাবুনিয়া ছোবাহান হাওলাদার ছেলে নুরজাহান বেগম (৪৮),তার মেয়ে রুপি বেগম (১৮),রেশমা আক্তার (১৭),মিন্টু শেখ, ছেলে মিরাজ শেখ (২১), আনোয়ার শেখের ছেলে রফিক শেখ(২০)।

কাজিপুর বিওপি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার শাহাবুদ্দিন ও ও ভারতের বিএসএফ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সাব্বিন্দার সিং তাদের হস্তান্তর করে।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বনি ইসরাইল বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে ভারত থেকে হস্তান্তর হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

পড়ুন- জলবায়ু ন্যায়বিচার ও পরিবেশ সুরক্ষার দাবিতে রাঙ্গাবালীতে মানববন্ধন

দেখুন- এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের উদ্যোগে মিনি ম্যারাথন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন