বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তরিক হোন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আরও আন্তরিক হতে মিয়ানমারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই আহ্বান জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য মিয়ানমার আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করছে কি না, সে বিষয়ে কিছু জানেন না তিনি।

বন্ধ দ্রুতগতির ইন্টারনেট
এদিকে কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার রোহিঙ্গা শিবির সংলগ্ন এলাকায় দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা থ্রিজি ও ফোরজি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। সংস্থাটি এ পদক্ষেপ নিতে সোমবার রাতে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোকে নির্দেশ দেয়। এরপর গতকাল মঙ্গলবার অপারেটরগুলো তা কার্যকর করে।

রাখাইনের রোহিঙ্গা গ্রামগুলো গুঁড়িয়ে সরকারি স্থাপনা
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার প্রস্তুত, বিভিন্ন সময়ে এমন দাবি করে আসলেও বাস্তবে রাখাইনের রোহিঙ্গা গ্রামগুলো গুঁড়িয়ে দিয়ে সেখানে বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। বিবিসির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রতিবেদক জোনাথন হেড, রাখাইনের অন্তত চারটি জায়গায় নতুন করে গড়ে তোলা স্থাপনা দেখেছেন।

বিপন্ন পরিবেশ
রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজার এলাকার পরিবেশ আজ বিপন্ন। এ অবস্থার মধ্যেই প্রত্যাবাসন শুরু করতে না পারার জন্য বাংলাদেশকেই দোষ দিচ্ছে মিয়ানমার। তাইতো নিজেদের সামর্থ্য দেখাতে রাখাইনে একদল বিদেশি সাংবাদিককে দাওয়াত দিয়ে নেয় মিয়ানমার। এতেই হিতে বিপরীত, পরিস্কার হয়েছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের অবস্থান। বিবিসির প্রতিবেদক জোনাথন হেড সেখানে দেখেছেন, অন্তত চারটি জায়গায় নতুন করে গড়ে তোলা হয়েছে নিরাপত্তা স্থাপনা। সেখানে রোহিঙ্গাদের পরিকল্পিতভাবে নির্মূলের প্রমাণ স্পষ্ট দেখার দাবি করেন জোনাথন।

রাখাইনে তৈরি করা একটি অস্থায়ী ক্যাম্প দেখার পর সেটার অবস্থাকে জঘন্য বলে জানিয়েছেন জোনাথন। এমন সব ক্যাম্পের পাশেই বানানো হয়েছে মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের একটি নতুন নতুন ব্যারাক।

অস্ট্রেলিয়ার স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউট স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া রাখাইনের ছবি বিশ্লেষণ করে বলছে, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের যে গ্রামগুলো সেনাবাহিনীর দমনপীড়নে ক্ষতিগ্রস্ত ও জনশূন্য হয়, তার ৪০ শতাংশই মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া হয়েছে। জোনাথন হেড বলছেন, ক্যাম্পের কর্মকর্তারা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে না চাইলেও নাম প্রকাশ না করে রোহিঙ্গা গ্রাম ধ্বংস করে এসব স্থাপনা গড়ে তোলার কথা স্বীকার করেছেন। যদিও রোহিঙ্গাদের জায়গায় স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অস্বীকার করেছে মিয়ানমার।

২০১৭ সালের অগস্টে রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা।

LIVE
Play
ছাত্র সংগঠনগুলোর আয়ের উৎস কী?
হলুদের গুণাগুণ
ভয়ঙ্কর গ্যাস এসএফ-সিক্স
বোকা পাখি ডোডো