♦♦ সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৯৭৫ জন। ♦♦ করোনা উপসর্গ দেখা দিলে অথবা করোনা বিষয়ক জরুরি স্বাস্থ্যসেবা পেতে ৩৩৩ অথবা ১৬২৬৩ নম্বরে কল করুন এবং তথ্য পেতে www.corona.gov.bd ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।। এ ছাড়া আইইডিসিআরের ইমেইল বা ১৬২৬৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। ♦♦ www.livecoronatest.com এ আপনি ঘরে বসেই কোভিড-১৯ বা নভেল করোনা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত কি'না, তা নিজেই মূল্যায়ন করতে পারবেন। এমনকি আপনার ঝুঁকির মাত্রা ও করনীয় সম্পর্কেও জানতে পারবেন।

ফিচার

লকডাউনে মোবাইল হাতে, ক্ষতি করছেন নিজের!

দিনভর মোবাইল হাতে লকডাউন কাটালে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে শরীরের। এক নাগাড়ে মোবাইল ব্যবহার করার ফলে পেশীতে টান পড়ে, আবার রক্তচলাচলের গতিও কমে যায়। এর ফলে শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যথা-বেদনার সূত্রপাত হতে পারে।

এছাড়াও বাজার বা অন্য কারণে সাথে মোবাইল নিয়ে বাড়ির বাইরে গেলে তা থেকে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। আবার কাজ করতে করতে কাঁধে মোবাইল রেখে, ঘাড় করে কাত করে কথা বললেও ঘাড়ে ব্যথা হয়।

এক নজরে জেনে নেওয়া যাক অতিরিক্ত সময় মোবাইল ব্যবহারে কী কী সমস্যা দেখা যেতে পারে।

১.

নাগাড়ে মোবাইলে কথা বললে ঘাড়ে ও কাঁধে ব্যথার ঝুঁকি বাড়ে।

২.

মাইগ্রেন ও মাথা ব্যথার শঙ্কা থাকে।

৩.

অনবরত মোবাইলে মেসেজ বা সোশ্যাল সাইটে লেখালেখি করলেও হাতের কবজি ও আঙুলে ব্যথা হতে পারে।

৪.

ব্রিটেনের হ্যান্ড ও এলবো সার্জন রজার পাওয়েল ও তাঁর সহযোগীদের এক গবেষনায় জানা গিয়েছে, যাঁরা দু’ঘন্টার বেশি সময় ধরে মোবাইলে টেক্সট করেন তাঁদের ‘টেক্সট ক্ল’ এবং ‘সেল ফোন এলবো’ নামে আঙুল ও কব্জির সমস্যা দেখা যায়। এই সমস্যার নাম ‘কিউবিটাল টানেল সিনড্রোম’।

৫.

অনবরত টেক্সট লেখার জন্য হাতের বুড়ো আঙুল, তর্জনি এবং মধ্যমা প্রয়োজনের অতিরিক্ত ব্যবহার হয় বলে এই আঙুল দুটির কাছাকাছি থাকা স্নায়ুর উপর বাড়তি চাপ পড়ে। এর ফলে শুরুর দিকে আঙুল অসাড় লাগে, পরের দিকে ব্যথা হয়।

৬.

অনেকে কনুইয়ে ভর দিয়ে মোবাইলে টেক্সট করেন বা কথা বলেন। অতিরিক্ত সময় ধরে এমন করলে হাত, কাঁধ, ঘাড় ব্যথার ঝুঁকি বাড়ে।

৭.

রাতের অন্ধকারে এক নাগাড়ে মোবাইলের নীল আলোর দিকে তাকিয়ে থাকলে ইনসমনিয়া অর্থাৎ অনিদ্রার ঝুঁকি বাড়ে। একই সঙ্গে ‘সিভিএস’ অর্থাৎ ‘কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম’ অর্থাৎ চোখের পানি শুকিয়ে গিয়ে চোখের সংক্রমণ হয়, চোখ কড়কড় করে।

৮.

‘কিউবিটাল টানেল সিনড্রোম’ হলে হাতের যন্ত্রণা প্রচন্ড ভোগায়। এ ক্ষেত্রে এলবো প্যাড ব্যবহার করার পাশাপাশি কনুইয়ে চাপ দেওয়া কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার করায় হাড়ের আলনা নার্ভ অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হলে সার্জারি করা ছাড়া উপায় থাকে না।

৯.

শুধু স্নায়ুরোগই নয়, মোবাইল অন্ত:প্রাণ এই অভ্যাস থেকে বেরিয়ে না এলে মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকিও কম নয়।

সমাধানের উপায়

এই সব সমস্যা প্রতিরোধের একমাত্র উপায় ফোনের ব্যবহারে মাত্রা টানা। অবশ্য লকডাউনের সময় অনলাইন ব্যাংকিং থেকে শেয়ার কেনাবেচা, কিংবা কাছের মানুষজনের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য মোবাইলই একমাত্র ভরসা। সে ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে চলা দরকার। যেমন: যতটা সম্ভব ফোন স্পিকারে দিয়ে কথা বলুন, সব আঙুল পর্যায়ক্রমে ব্যবহার করুন, টানা ব্যবহারের ফাঁকে হাত ও আঙুল স্ট্রেচিং করে নেওয়ার মতো অভ্যাস বজায় রাখুন, শিশুর হাতে বেশি সময়ের জন্য মোবাইল দেবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LIVE


বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশ

আক্রান্ত
৩৫৫৮৫
সুস্থ
৭৩৩৪
মৃত্যু
৫০১
সূত্র:আইইডিসিআর

বিশ্ব

আক্রান্ত
৫৫৫৪৫০৪
সুস্থ
২৩৩১৫৯৭
মৃত্যু
৩৪৮১৪১
সূত্র: ওয়ার্ল্ড মিটার
ঈদের ইতিহাস
ঘূর্ণিঝড়ের নাম যেভাবে রাখা হয়
ঘূর্ণিঝড়ের সংকেত ও এর অর্থ
বারবার হাত ধোয়ার কারণে ত্বক শুকিয়ে গেলে যা করবেন