১১/১২/২০২৫, ৮:৪১ পূর্বাহ্ণ
17 C
Dhaka
১১/১২/২০২৫, ৮:৪১ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

লুটেরাদের কারখানাগুলো কীভাবে আবার চালু করা যায়, সেটাই সরকারের দেখা উচিত : ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গত ১৫ বছরে যারা লুটপাট, চুরি এবং ব্যাংক ডাকাতি করেছেন, তাদের ধরা হোক এবং শাস্তি দেওয়া হোক। তবে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন লুটপাটকারীদের যে শিল্প-কারখানাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, তার ফলে যে ১৪ লাখ মানুষ বেকার হয়ে গেলেন, তাদের কী হবে? তিনি মনে করেন, এই বেকারত্ব সৃষ্টি না করে বরং এই কারখানাগুলোকে কীভাবে আবার চালু করা যায় এবং মানুষগুলোর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যায়, সেটাই সরকারের দেখা উচিত।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলনে ২০২৫’ তিনি এসব কথা বলেন।

ফখরুল ইসলাম বলেন, বিএনপি একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে তৈরি এই দল। জিয়াউর রহমান সাহেবের যে মূল বিষয়গুলো ছিল, তিনি কথা বলতেন কম, কাজ করতেন বেশি। তিনি একটি পুরোপুরি একদলীয় শাসন ব্যবস্থা থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্রে নিয়ে আসেন। একটা ক্লোজ ইকোনমিকে ওপেন ইকোনমিতে নিয়ে আসার ব্যাপারে তার ভূমিকাটা ছিল সবচাইতে লক্ষণীয় এবং তখন থেকে করেছি বিএনপিকে তিনি সেইভাবে গড়ে তোলার চেষ্টা করেছেন।

তিনি আরও বলেন, আপনি যদি বিএনপির রেকর্ড দেখেন, অতীতে প্রত্যেকটি সময় যখনই বিএনপি ক্ষমতায় এসে দেশ পরিচালনা দায়িত্ব পেয়ে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে অর্থনীতিতে। বিএনপি সব সময় চায় সাধারণ মানুষগুলো যেন ভালো থাকে, আমাদের কৃষকেরা যেন ভালো থাকে, তার সমস্যার সমাধান যেন করা যায়, আমাদের শ্রমিকেরা যেন তাদের শ্রমের ন্যায্য মূল্য পায় এবং অর্থনীতিতে যেন স্টেবিলিটি একটা স্থিতি অবস্থা থাকে এবং ম্যাক্রো ইকোনমিক্সটা যেন শক্তভাবে দাঁড়ায়।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, বিএনপি যখন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পেয়েছে, এই কথা বলা যায়নি যে বিএনপি অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়েছে। বাংলাদেশে ব্যবসায়ীদের ব্যাপারে আসলে চিন্তাভাবনাটাও পরিবর্তন করা দরকার। ব্যবসায়ীদের যদি আমরা বিশ্বাসই না করি তাহলে তারা ব্যবসা করে আমাকে কি দেবে? এই বিষয়গুলো আমার মনে হয় খুব জরুরি।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে যখন পট পরিবর্তন হল, সে সময় অনেকে ভেবেছিলেন বাংলাদেশ বোধহয় ডুবেই যাবে। কিন্তু শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাহেব দেশকে টেনে ওপরে তুলেছিলেন। একটি বটমলেস বাস্কেট থেকে দেশ থেকে সম্ভাবনার জনপদ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।

ফখরুল ইসলাম বলেন, আমাদের কৃষকদের প্রচুর উৎপাদনশীলতা আছে। আমরা যদি তাদের ঠিকমতো সাহায্য করতে পারি, তাদের সার, বীজ এবং সেচ যদি ঠিকমতো পৌঁছাতে পারি তাহলে আমরা এই জায়গাতে আরও অনেক বেশি অর্জন করতে পারব। আমাদের আরেকটা বিষয়ে খুব বেশি লক্ষ্য করা দরকার। যেটা আমরা ইতোমধ্যে চিন্তা করেছি স্বাস্থ্য খাতে আমাদের অনেক বেশি কাজ করা দরকার। আমাদের জনগণের উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে বেশি শিক্ষাখাতকে ঢেলে সাজানো দরকার। এই বিষয়গুলোতে আমরা ইতোমধ্যেই চিন্তা করেছি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : তড়িঘড়ি করে পুলিশ কমিশন ও এনজিও সংক্রান্ত আইন পাস করা সমীচীন হবে না : মির্জা ফখরুল

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন