২০/০১/২০২৬, ৩:২৩ পূর্বাহ্ণ
18 C
Dhaka
২০/০১/২০২৬, ৩:২৩ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

শিক্ষকদের দাবি দাওয়া নিয়ে সরকার কাজ করছে : শিক্ষা উপদেষ্টা

সরকার সামর্থ্য অনুযায়ী শতাংশভিত্তিক বাড়িভাড়া দেওয়ার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার (সি আর আবরার)।

তিনি বলেন, শিক্ষকদের দাবির প্রতি সরকার শ্রদ্ধাশীল ও সংবেদনশীল। নতুন বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী আগামী বছর আরও সম্মানজনক একটি কাঠামোর দিকে এগোনোর সুযোগ তৈরি হবে।

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সচিবালয়ের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদসম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে শিক্ষাসচিব রেহেনা পারভীনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাপক সি আর আবরার বলেন, ‘শিক্ষকরা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার প্রাণ। শুরু থেকেই আমি শিক্ষকদের বেতন, প্রশিক্ষণ ও মর্যাদা বাড়ানোর পক্ষে সোচ্চার। আমার সহকর্মী ও অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্যরাও এ বিষয়ে সহানুভূতিশীল। বর্তমানে শিক্ষক সংগঠনগুলো শতাংশভিত্তিক বাড়িভাড়া ২০ শতাংশ বাড়ানোসহ বিভিন্ন দাবি তুলেছেন। আর্থিক বাস্তবতা অনুযায়ী সরকার ৫ শতাংশ বৃদ্ধি এবং ন্যূনতম ২০০০ টাকার বিষয়ে আলোচনা করছে। আমরা বিশ্বাস করি, নতুন বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী আগামী বছর আরও সম্মানজনক একটি কাঠামোর দিকে এগিয়ে যেতে পারবো।’

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, শিক্ষকদের দাবির প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সংবেদনশীল সরকার। সামর্থ্য অনুযায়ী শতাংশভিত্তিক বাড়িভাড়া দেওয়ার বিষয়টি সরকার সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে। একই সঙ্গে শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে আধুনিক করার কাজও চলছে, কারণ শুধু বেতন নয়, সম্মান ও সক্ষমতাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, ‌‌‘আমরা তিনটি নীতিতে এগোতে চাই। প্রথমত— বাস্তবতা থেকে মুখ না ফেরিয়ে বাস্তবতাকে বুঝে এগোনো। দ্বিতীয়ত— দোষারোপ নয়, সমাধান খোঁজা। তৃতীয়ত— সংখ্যা নয়, শেখার মানকে সাফল্যের মাপকাঠি করা। এ ফলাফল আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে। হয়তো এটি কষ্টের, কিন্তু সত্যের পথে ফেরার সূচনা। আমরা দায়িত্ব নিচ্ছি, শুনছি ও শিখছি। আমাদের লক্ষ্য একটাই— একটি সৎ, জবাবদিহিমূলক ও শিক্ষাভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা গঠন করা। যেখানে প্রতিটি ফলাফলই বাস্তব শেখার প্রতিফল হবে।’

শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন বলেন, ‘আমরা শিক্ষকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছি। বিষয়টি নিয়ে প্রতিমুহূর্তে কাজ করছি। যদিও অর্থ উপদেষ্টা ও সচিব বর্তমানে দেশের বাইরে রয়েছেন। তবুও আমরা রাতদিন পরিশ্রম করে যাচ্ছি। যতটা করা যায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি৷ আলোচনায় বসলে সমাধান আসবে। লামছাম বরাদ্দ থেকে শতাংশভিত্তিক ব্যবস্থা ইতিবাচক একটি পদক্ষেপ। কিছুদিনের মধ্যে জাতীয় বেতন স্কেল হবে ইনশাল্লাহ৷ তখন এটার একটা ইতিবাচক প্রভাব থাকবে৷ এই প্রচেষ্টায় সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। আমরা দাবি করছি এবং চেষ্টা করছি। এটার প্রভাব দেখতে কিছুটা সময় লাগবে।’

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : শহীদ মিনার থেকে ‘মার্চ টু যমুনা’র প্রস্তুতি নিচ্ছেন শিক্ষকরা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন