চলচ্চিত্র, বাংলাদেশ, বিনোদন

শুরু হচ্ছে ‘নতুন মুখের সন্ধানে-২০২০’

বিনোদন প্রতিবেদক

ঢাকাই চলচ্চিত্রে শিল্পী সংকট অনেক বছর ধরেই। হাতে গোনা কয়েকজন অভিনয় শিল্পীদের নিয়েই নির্মিত হয় বছরের সিনেমাগুলো। পুরাতন শিল্পীদের পর্দায় একই চরিত্রে বারবার দেখে দর্শকও বেশ বিরক্ত। এ সংকট দূর করার জন্য সর্বশেষ ২০১৮ সালে ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি। কিন্তু হঠাৎ করে টেকনিক্যাল সমস্যাসহ নানা জটিলতার কারণে বন্ধ হয়ে যায় ওই কার্যক্রম। এবার যৌথভাবে নতুন করে ‘নতুন মুখের সন্ধানে-২০২০’ আয়োজন করতে যাচ্ছে পরিচালক ও প্রযোজক-পরিবেশক সমিতি।

নাগরিক টেলিভিশনকে এমনটাই জানিয়েছেন পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন। তিনি বলেন, খুব শিগগিরই সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হবে। এরই মধ্যে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে পরিচালক সমিতির ৬ জন, প্রযোজক-পরিবেশক সমিতির ৬ জন এবং এফডিসির ১ জন রয়েছে। আট বিভাগীয় শহরে প্রাথমিক বাছাই শেষে ঢাকায় হবে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা। কারিগরি সহায়তা, গ্রুমিং ও মহড়ার জায়গা দিয়ে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন।

আয়োজক প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, এবার সাতটি ক্যাটাগরিতে হবে ‘নতুন মুখের সন্ধানে-২০২০’। ক্যাটাগরিগুলো হলো নায়ক, নায়িকা, পার্শ্বচরিত্রের অভিনেতা, অভিনেত্রী, খলনায়ক, কৌতুক অভিনেতা ও শিশুশিল্পী। আয়োজকরা মনে করছেন, প্রতিযোগিতার এবারের আসর থেকে সত্যিকারের কিছু অভিনয় শিল্পী ওঠে আসবে, যারা দূর করতে পারবে চলচ্চিত্রের শিল্পী সংকট। নতুন করে এ প্রতিযোগিতা প্রসঙ্গে চিত্রনায়িকা পপি বলেন, ‘আমি একজন ক্ষুদ্র আর্টিস্ট হিসেবে এতটুকু বলব যে, আমাদের এখানে কখনোই শিল্পী সংকট ছিলো না। আমার কাছে মনে হয়, নতুন মুখের আর্টিস্ট না এনে নতুন মুখের ডিরেক্টর আনা উচিত। নতুন প্রডিউসার, নতুন গল্প, নতুন ক্যামেরাম্যান এদের আসা উচিত।’

একই বিষয়ে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর বলেন, ‘আমাদের একটা রাজ্জাক-কবরী আছেন? একটা ফারুক-ববিতা আছেন? ইন্ডাস্ট্রিতে একটা ওয়াসিম-রোজিনা আছেন? ইন্ডাস্ট্রির জন্য প্রথমে অসম্ভব জনপ্রিয় শিল্পী লাগে, তার আগে লাগে মেধাবী পরিচালক।’ নতুন মুখের সন্ধানে ২০২০ কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়েছেন চিত্রনায়ক অমিত হাসান। নতুন যারা আসবে তাদের উদ্দেশ্যে এ চিত্রনায়ক বলেন, ‘আমি নিজেও নতুন মুখের সন্ধানে থেকে এসেছি। নতুন যারা আসবে তাদের আমি একটা কথাই বলব, আগের সেই সময়গুলো এখন নেই। আগে আমরা কিছু না জেনে এসেছিলাম। আমাদেরকে শিখিয়েছে, আমরা তিলে তিলে এখনো শিখছি। কিন্তু এখন প্রতিযোগিতার যুগ। এখন যারা চলচ্চিত্রে আসবে তাদের সবকিছু শিখে আসতে হবে।

এর আগে ১৯৮৪, ১৯৮৮ ও ১৯৯০ সালে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা। মান্না, দিতি, মিশা সওদাগর, অমিত হাসান, আমিন খানসহ আরও অনেকে উঠে এসেছিলেন এ প্রতিযোগিতা থেকে। আয়োজকরা মনে করছেন, নতুন মুখের এ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে শেষ করতে পারলে সত্যিকারের কিছু অভিনয় শিল্পী উঠে আসবে। যারা দূর করতে পারবে চলচ্চিত্রের শিল্পী সংকট।

LIVE


মোবাইল-টিভিতে চোখ, কতটা ক্ষতি হচ্ছে শিশুর!
কেন নেবেন কাউন্সেলিং সেবা?
টেইলর সুইফটের প্রতিদিনের রুটিন
আমাজন রেইন ফরেস্টের নিধন বেড়েছে ৮৫ শতাংশ