সারা বাংলাদেশের ন্যায় শেরপুরে ও জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণি প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
“দেশীয় জাত, আধুনিক প্রযুক্তি, প্রাণিসম্পদের হবে উন্নতি” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২৬ শে নভেম্বর বোধবার সকাল দশটায় শেরপুর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেনারি হাসপাতালের উদ্যোগে এবং এলডিডিপির সহযোগিতায় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
প্রথমে সকালে মেলার উদ্বোধন করা হয় এবং পরে প্রাণিসম্পদ চত্বর থেকে একটি বিশাল র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা প্রাণীসম্পদ চত্বরে এসে শেষ হয়।
এবারের প্রদর্শনীতে ৬ টি ক্যাটেগরিতে মোট ৩০ স্টল প্রদর্শন করা হয়।এতে দেশীয় জাত সংরক্ষণ, আধুনিক প্রাণিসম্পদ প্রযুক্তি,গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, খরগোশ, কবুতর সহ নানান জাতের পশুপাখি ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তি স্থান পায়। খামারিদের আধুনিক উপায়ে উৎপাদন বৃদ্ধি ও প্রাণী সম্পদ উন্নয়নে উদ্বুদ্ধ করাই ছিল প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা:আব্দুর রউফ এর সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: ফজলুর রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক তরফাদার মাহমুদুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শেরপুর জেলার পুলিশ সুপার মো: আমিনুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক আরিফা সিদ্দিকা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল আল মাহমুদ ভূঁইয়া, সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: পলাশ কান্তি দত্ত সহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
বক্তারা বলেন প্রযুক্তির সাথে পাল্লা দিয়ে প্রাণিসম্পদ সেক্টরেও আধুনিকতার ছোয়া লাগাতে হবে এবং উৎপাদন বাড়াতে হবে।এতে স্থানীয় অর্থনীতি ও দুধ মাংস উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
পড়ুন- সারা বাংলাদেশের ন্যায় শেরপুরে ও জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণি প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। “দেশীয় জাত, আধুনিক প্রযুক্তি, প্রাণিসম্পদের হবে উন্নতি” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে
২৬ শে নভেম্বর বোধবার সকাল দশটায় শেরপুর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেনারি হাসপাতালের উদ্যোগে এবং এলডিডিপির সহযোগিতায় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। প্রথমে সকালে মেলার উদ্বোধন করা হয় এবং পরে প্রাণিসম্পদ চত্বর থেকে একটি বিশাল রেলি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা প্রাণীসম্পদ চত্বরে এসে শেষ হয়। এবারের প্রদর্শনীতে ৬ টি ক্যাটেগরিতে
মোট ৩০ স্টল প্রদর্শন করা হয়।এতে দেশীয় জাত সংরক্ষণ, আধুনিক প্রাণিসম্পদ প্রযুক্তি,গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, খরগোশ, কবুতর সহ নানান জাতের পশুপাখি ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তি স্থান পায়। খামারিদের আধুনিক উপায়ে উৎপাদন বৃদ্ধি ও প্রাণী সম্পদ উন্নয়নে উদ্বুদ্ধ করাই ছিল প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা:আব্দুর রউফ এর সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: ফজলুর রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক তরফাদার মাহমুদুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শেরপুর জেলার পুলিশ সুপার মো: আমিনুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক আরিফা সিদ্দিকা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল আল মাহমুদ ভূঁইয়া, সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: পলাশ কান্তি দত্ত সহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। বক্তারা বলেন প্রযুক্তির সাথে পাল্লা দিয়ে প্রাণিসম্পদ সেক্টরেও আধুনিকতার ছোয়া লাগাতে হবে এবং উৎপাদন বাড়াতে হবে।এতে স্থানীয় অর্থনীতি ও দুধ মাংস উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
পড়ুন- সারা বাংলাদেশের ন্যায় শেরপুরে ও জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণি প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। “দেশীয় জাত, আধুনিক প্রযুক্তি, প্রাণিসম্পদের হবে উন্নতি” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে
২৬ শে নভেম্বর বোধবার সকাল দশটায় শেরপুর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেনারি হাসপাতালের উদ্যোগে এবং এলডিডিপির সহযোগিতায় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। প্রথমে সকালে মেলার উদ্বোধন করা হয় এবং পরে প্রাণিসম্পদ চত্বর থেকে একটি বিশাল রেলি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা প্রাণীসম্পদ চত্বরে এসে শেষ হয়। এবারের প্রদর্শনীতে ৬ টি ক্যাটেগরিতে
মোট ৩০ স্টল প্রদর্শন করা হয়।এতে দেশীয় জাত সংরক্ষণ, আধুনিক প্রাণিসম্পদ প্রযুক্তি,গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, খরগোশ, কবুতর সহ নানান জাতের পশুপাখি ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তি স্থান পায়। খামারিদের আধুনিক উপায়ে উৎপাদন বৃদ্ধি ও প্রাণী সম্পদ উন্নয়নে উদ্বুদ্ধ করাই ছিল প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা:আব্দুর রউফ এর সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: ফজলুর রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক তরফাদার মাহমুদুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শেরপুর জেলার পুলিশ সুপার মো: আমিনুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক আরিফা সিদ্দিকা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল আল মাহমুদ ভূঁইয়া, সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: পলাশ কান্তি দত্ত সহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। বক্তারা বলেন প্রযুক্তির সাথে পাল্লা দিয়ে প্রাণিসম্পদ সেক্টরেও আধুনিকতার ছোয়া লাগাতে হবে এবং উৎপাদন বাড়াতে হবে।এতে স্থানীয় অর্থনীতি ও দুধ মাংস উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
পড়ুন- নেত্রকোনা সরকারি মহিলা কলেজে “নারী প্রগতি সংঘ”-র সেমিনার
দেখুন- মেগাসিটির নতুন চিত্র: শীর্ষে জাকার্তা, পেছনেই ঢাকা | N

