১১/০২/২০২৬, ১৩:১৭ অপরাহ্ণ
28 C
Dhaka
১১/০২/২০২৬, ১৩:১৭ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

সেনা সদর আইন প্রয়োগ না করা পর্যন্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তা কর্মরত : প্রসিকিউটর

মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক তিনটি মামলার আসামি ২৫ সেনা কর্মকর্তার মধ্যে ১৫ জন এখনো কর্মরত বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজি মোনাওয়ার হুসাইন তামীম।

আজ রোববার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মোনাওয়ার হুসাইন এ কথা বলেন।

একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ‘আপনি সেনা কর্মকর্তাদের সার্ভিং বলছেন। কিন্তু সংশোধিত আইন অনুযায়ী, ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হলেই তাঁদের চাকরি থাকার কথা নয়। তাহলে সেনা কর্মকর্তাদের চাকরিচ্যুত নাকি চাকরিরত, কোনটা বলা হবে?’

এর জবাবে প্রসিকিউটর মোনাওয়ার হুসাইন বলেন, যেটা আইনে বলা আছে, সেটাই আইনের ব্যাখ্যা। এখন সেনা সদর দপ্তর সিদ্ধান্ত নেবে যে এই আইন কবে তাঁদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করবে। যতক্ষণ প্রয়োগ না করছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তো সার্ভিং (কর্মরত) বলাই যেতে পারে।

মামলা তিনটির মধ্যে দুটি হচ্ছে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গুম-নির্যাতনের মাধ্যমে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায়। অন্যটি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায়। এসব মামলায় ২৫ জন সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জন সেনা কর্মকর্তা এখনো কর্মরত। ১ জন এলপিআরে (অবসরোত্তর ছুটিতে) আছেন, আর ৯ জন সেনা কর্মকর্তা অবসরে।

ব্রিফিংয়ে সেনা সদস্যদের ট্রাইব্যুনালে হাজিরের দিন পরিবর্তনের আবেদনের কথা উল্লেখ করে প্রসিকিউটর তামীম বলেন, গুম-নির্যাতনের দুই মামলার পরবর্তী তারিখ ছিল আগামী ২০ নভেম্বর। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে রোববার এ মামলার তারিখ পরিবর্তনের জন্য একটি আবেদন করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ২৩ নভেম্বর এ দুই মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছেন। এ সময় প্রসিকিউশনের নিজস্ব জটিলতার (ডিফিকাল্টি) কারণে এই সময়ের আবেদন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে আদালতে হাজির করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে অ্যামনেস্টি

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন