নেটফ্লিক্সকে বলা হয় ওটিটি জগতের দানব, যাদের সাবস্ক্রাইবার ৩০০ মিলিয়নের বেশি। নেটফ্লিক্সের সবচেয়ে বেশি ভিউ পাওয়া সিরিজ স্কুইড গেম ও ওয়েডনেস ডে।
কিন্তু ওভার লোডের কারণে আজ পর্যন্ত নেটফ্লিক্স ক্র্যাশ হয়েছে মাত্র দুইবার, আর এই দুইবার ক্র্যাশ হয়েছে শুধুমাত্র স্ট্রেঞ্জার থিংসের জন্য। ২০২২ সালে স্ট্রেঞ্জার থিংস সিজন ফোরের দ্বিতীয় ভলিউম এবং আজ স্ট্রেঞ্জার থিংস সিজন ফাইভের প্রথম ভলিউম রিতীমত নেটফ্লিক্সের সার্ভার ক্র্যাশের কারণ ছিল।
প্রায় কোনো প্রচার ছাড়াই এসেছিল প্রথম কিস্তি। হরর, অ্যাডভেঞ্চার, রহস্য আর একদল কিশোর-কিশোরীর গল্প নিয়ে নির্মিত সিরিজটি মুক্তির পরই ঝড় তুলেছিল সারা দুনিয়ায়। কে ভেবেছিল আশির দশকের প্রেক্ষাপটে নির্মিত সিরিজটি যে এই সময়ের তরুণদের পর্দায় বুঁদ করে রাখবে। এরপর পেরিয়ে গেছে নয় বছর, সময়ের সঙ্গে ইতিহাস তৈরি করেছে ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’; হয়ে উঠেছে গত এক দশকে পপ কালচারে সবচেয়ে চর্চিত নামগুলোর একটি।
২০১৬ সালে যখন ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ সবে শুরু, তখন নির্মাতা ম্যাট ডাফার বলেছিলেন, তিনি ‘হ্যারি পটার’-এর ছবিগুলোর মতো শিশুশিল্পীদের ক্যামেরার সামনে বড় হতে দেখতে চান। ‘আমি পর্দার সামনে শিশুদের বড় হতে দেখতে ভালোবাসি। এক বছর পর তাদের জীবন ও চরিত্রগুলো কোথায় দাঁড়ায়, সেটা দেখা আমার কাছে দারুণ লাগে,’ বলেছিলেন তিনি।
সিরিজটি এই ‘বড় হওয়া’কে দারুণভাবে তুলে ধরেছে। যেমন বদলেছে চরিত্রদের জীবন, তেমন বদল এসেছে দর্শকদের জীবনেও। আর এত দিনে তাদের সঙ্গে একটা গভীর আবেগের সম্পর্ক তৈরি হওয়াটাই স্বাভাবিক। দীর্ঘ বিরতির পর যখন আমরা আবার তাদের দেখি, মনে হয় যেন বহুদিন পর পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা। তাদের জীবনে এই ফাঁকে কী ঘটেছে, সেটাও জানতে ইচ্ছা করে তীব্রভাবে।
সবশেষে বলা যায় “স্ট্রেঞ্জার থিংসের তুফানে নেটফ্লিক্সের এই ক্ল্যাশ শেষ পর্যন্ত দেখিয়ে দিল—বড় বাজির মুহূর্তে জনপ্রিয় কনটেন্টই স্ট্রিমিং জগতের আসল শক্তি।”
পড়ুন- তৃতীয় বিশ্ব থেকে অভিবাসন চিরতরে বন্ধ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
দেখুন- আজকের বিশ্বের সব গুরুত্বপূর্ণ খবর |
সাবিসা/


