আন্তর্জাতিক, শীর্ষ খবর , ,

হুমকি উপেক্ষা: বিক্ষোভ ধর্মঘটে মিয়ানমারের মানুষ

মিয়ানমারের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী কর্মবিরতি পালন করছে জনগণ। বন্ধ রয়েছে দেশটির বৃহত্তম খুচরা বাজার সিটি মার্টসহ বেশিরভাগ বেসরকারি অফিস ও মার্কেট। ডাক দিয়েছে বৃহত্তম সমাবেশের। মারমুখী অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আন্দোলন দমাতে প্রায় সব ধরণের চেষ্টাই করেছে মিয়ানমারের সামরিক প্রশাসন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করেছে। কারফিউ জারির পাশাপাশি ইন্টারনেট সেবা বন্ধ। মিছিলে গুলি চালিয়ে অন্তত ৩ জনকে হত্যা করেছে। এর মধ্যেই সোমবার সারাদেশে কর্মবিরতি পালন করছে দেশটির গণতন্ত্রকামীরা।

জরুরি সার্ভিস ছাড়া বড় বড় শহরগুলিতে দোকান পাট ও অফিস আদালত বন্ধ রাখা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক লাখ লোকের সমাগম হবে সোমবার। যাকে বলা হচ্ছে ‘‘ ফাইভ ট্যুস’’ বিপ্লব। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। নিহতের শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল নেমেছিল রবিবারও।

রবিবার রাতেও আন্দোলনে সমর্থন দেওয়ার দায়ে লু মিন নামে এক অভিনেতাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে গেছে সেনাবাহিনী। মিন্ট নামে একজন এমপিকেও আটক করা হয়েছে। এ পর্যন্ত গ্রেফতার হলো অন্তত ৬৪০ জন এবং গৃহবন্দী ৫৯৪ জন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্টনি ব্লিঙ্কেন এক টুইট বার্তায় লিখেছেন, মিয়ানমারের সামরিক প্রশাসন যদি জনগণের ওপর দমন পীড়ন চালাতে থাকে তবে জাতিংঘও কঠোরতা অব্যাহত রাখবে।

পিন্টু/লিশা//

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LIVE

গ্রিন টির ভালো-মন্দ
পাহাড়ের ভাষা, সমতলের ভাষা
স্যানিটাইজার ব্যবহারে বাড়ছে শিশুদের চোখের সমস্যা
অনলাইন আড্ডায় রুবানা হক