দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৬৯৫ জন। ♦♦ নতুন ৪৮ জনের মৃত্যুর ফলে দেশে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩ হাজার ৮৩ জনের। নতুন ২ হাজার ৬৯৫ জনসহ মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৮৯ জন। ♦♦ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৬৬৮ জন। আর মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৯৬০ জন।♦♦ করোনা উপসর্গ দেখা দিলে অথবা করোনা বিষয়ক জরুরি স্বাস্থ্যসেবা পেতে ৩৩৩ অথবা ১৬২৬৩ নম্বরে কল করুন এবং তথ্য পেতে www.corona.gov.bd ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।। এ ছাড়া আইইডিসিআরের ইমেইল বা ১৬২৬৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। ♦♦ www.livecoronatest.com এ আপনি ঘরে বসেই কোভিড-১৯ বা নভেল করোনা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত কি'না, তা নিজেই মূল্যায়ন করতে পারবেন। এমনকি আপনার ঝুঁকির মাত্রা ও করনীয় সম্পর্কেও জানতে পারবেন।

প্রযুক্তি, বাংলাদেশ

৩ মাসে মোবাইল গ্রাহক কমেছে প্রায় ৫০ লাখ

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ধাক্কা লেগেছে দেশের মোবাইল খাতে। গেল ৩ মাসে দেশে মোবাইল সংযোগ কমেছে প্রায় ৫০ লাখ।

মোবাইলফোন অপারেটরগুলোর সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব) বিষয়টি স্বীকার করেছে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সর্বশেষ মে মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদনের দেখা গেছে, দেশে মোবাইল মোবাইল সংযোগের সংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ১৫ লাখ ৬ হাজার। লকডাউন শুরুর আগে ফেব্রুয়ারির শেষে সংযোগ সংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ৬১ লাখ ১৪ হাজার। সেই হিসাবে মার্চ, এপ্রিল ও মে এই তিন মাসে সংযোগ সংখ্যা কমেছে ৪৬ লাখ ৮ হাজার।

বিটিআরসির প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, মার্চে মোবাইল সংযোগ সংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ৫৩ লাখ ৩৭ হাজার। আর এপ্রিলে ছিল ১৬ কোটি ২৯ লাখ ২০ হাজার।  

অ্যামটবের মহাসচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এস এম ফরহাদ বলেন, ‘এ বছরের শুরু থেকে মোবাইল গ্রাহক কমে আসার বিষয়টা লক্ষ্য করছি আমরা। আরও সুনির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে ফেব্রুয়ারি থেকে গ্রাহক সংখ্যা কমতে থাকে। করোনার বিরূপ প্রভাবের কারণে এটা হয়েছে বলে আমরা মনে করছি।’

তিনি আরও জানান, ‘আসলে দেশের সব ব্যবসায়িক খাতের মতো মোবাইল খাতের নিম্নগতির কথা বলে আসছি আমরা। যদিও মোবাইল এখন সব ধরনের ব্যবসা, শিক্ষা, বিনোদন ইত্যাদির প্রাথমিক যোগাযোগ মেটায় তবে অন্যান্য ব্যবসা যখন প্রভাবিত হয় তখন তা মোবাইল খাতকেও প্রভাবিত করে।’

এস এম ফরহাদ বলেন, আয়ের নিম্ন সারিতে থাকা মানুষেরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাছাড়া লকডাউনের কারণে অনেক খুচরা দোকান বন্ধ হয়ে গেছে এবং গ্রাহকরা রিচার্জ পয়েন্টগুলোতে যেতে পারছে না। এর প্রভাব পড়াও স্বাভাবিক। এসব কারণে একদিকে যেমন নতুন গ্রাহক যুক্ত হচ্ছেন না তেমন অনেকে আবার হয়তো ইনঅ্যাক্টিভ (নিষ্ক্রিয়) হয়ে গেছেন।

জানা যায়, মে মাসে গ্রামীণফোন ঘোষণা দিয়ে এপ্রিল মাসে মোবাইলে রিচার্জ করেতে পারেননি বা যাদের যাদের ব্যালেন্স নেই এমন এক কোটি মোবাইল গ্রাহককে ১০ মিনিট করে ফ্রি ‘কল মিনিট’ উপহার দেয়। এরপরে মোবাইল অপারেটর রবি তাদের এক কোটি ৩০ লাখ গ্রাহককে ১০ মিনিট করে ‘কল মিনিট’ ও ৫০ এমডি ডেটা উপহার দেয়।

মোবাইল অফারেটরগুলোর ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা হিসাব করে দেখ গেছে গত তিন মাসে অপারেটরগুলোর ২ লাখ ৮ হাজার গ্রাহক কমেছে। গত ফেব্রুয়ারিতে মোবাইল ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহারকারীরর সংখ্যা ছিল ৯ কোটি ৪২ লাখ ৩৬ হাজার।

মার্চে লকডাউনের সময় তা বেড়ে হয় ৯ কোটি ৫১ লাখ ৬৮ হাজার। এপ্রিলে প্রায় প্রায় ২০ লাখ গ্রাহক কমে তা দাঁড়ায় ৯ কোটি ৩১ লাখ ১ হাজারে। মে মাসে গ্রাহক কিছু বাড়ে। মে মাসে প্রকাশিত বিটিআরসির প্রতিবেদনে দেখা গেছে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৯ কোটি ৪০ লাখ ২৮ হাজার। ফেব্রুয়ারি মাসে মোবাইল গ্রাহকের তুলনায় মে মাসে এসে কমেছে ২ লাখ ৮ হাজার গ্রাহক। মার্চ ও এপ্রিল মাসে গ্রাহক সংখ্যা ওঠানামা করেছে।

কোনও গ্রাহক বায়োমেট্রিক প্রযুক্তি ব্যবহার মোবাইল সিম কিনে ৯০ দিনের মধ্যে যদি একবারও ভয়েস, ডাটা ও এসএমএস করে থাকে তাহলে একজন গ্রাহক হিসেবে গণনা করে।

ফই//

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LIVE

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশ

আক্রান্ত
২৩৪৮৮৯
সুস্থ
১৩২৯৬০
মৃত্যু
৩০৮৩
সূত্র:আইইডিসিআর

বিশ্ব

আক্রান্ত
১৭২১২৮৫৩
সুস্থ
১০৭২৬২০১
মৃত্যু
৬৭০৯০৩
সূত্র: ওয়ার্ল্ড মিটার
এন্ড্রু কিশোরের সেরা ৫ গান
চোখে মুখে মৌমাছি নিয়ে চার ঘণ্টা!
বলিউড, মানসিক চাপ, আত্নহনন
দ্রুত ভ্যাকসিন পৌঁছে দিতে চায় বিল গেটস ফাউন্ডেশন