১৫/০২/২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
18 C
Dhaka
১৫/০২/২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

৭ ঘণ্টা পর সচল হলো শাহজালাল বিমানবন্দর

সাত ঘণ্টা পর ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এরপর উড়োজাহাজ ওঠানামাও শুরু হয়েছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় আজ শনিবার রাত ৯টার পর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার কথা জানায়।

আজ বেলা সোয়া ২টায় আগুন লাগার পর তা নেভাতে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। বাহিনীর ৩৭টি ইউনিট সেখানে কাজ করে।

রাত ৯টা ১৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। এই বাহিনীর পরিভাষায়, আগুন যখন ছড়ানো বন্ধ করা যায়, তখন বলা হয় নিয়ন্ত্রণে, পুরোপুরি নেভানো হলে বলা হয় নির্বাপণ।

আগুন লাগার পরপরই দেশের প্রধান এই বিমানবন্দরে সব ধরনের উড়োজাহাজ ওঠানামা বন্ধ হয়ে যায়। রাত ৯টা থেকে ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাত ৯টার পর দুবাই থেকে আসা একটি ফ্লাইট শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।

সন্ধ্যার পর অগ্নিকাণ্ডস্থল পরিদর্শনে গিয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘আমরা যত দ্রুত পারি এয়ারপোর্ট (বিমানবন্দর) চালু করব। কারণ, আপনারা জানেন, এয়ারপোর্টে এই মুহূর্তে বিমান ওঠানামা বন্ধ আছে। আমরা চেষ্টা করছি যে যত দ্রুত পারি, আজ রাতের মধ্যে ফ্লাইট ওপেন করব।’

এই অগ্নিকাণ্ডে কেউ নিহত হননি। তবে আগুন নেভাতে গিয়ে কয়েকজন আনসার সদস্য আহত হন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা।

এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নাশকতা বা অগ্নিসংযোগের কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে সরকার তাৎক্ষণিক ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে বলে অন্তর্বর্তী সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, আজ বেলা আড়াইটার দিকে বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আগুন লাগার খবর পেয়ে কাজ শুরু করে তারা। প্রথমে কয়েকটি ইউনিট যুক্ত হয় এই কাজে। আগুন ছড়াতে থাকলে ইউনিটের সংখ্যাও বাড়তে থাকে। রাত নাগাদ তা বেড়ে ৩৭টি হয়।

বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকের মুখপাত্র মো. মাসুদুল হাসান মাসুদ জানিয়েছিলেন, কার্গো ভিলেজে আগুন লাগার পর উড়োজাহাজ ওঠানামা স্থগিত রাখা হয়।
বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের (পণ্য রাখার স্থান) যে অংশে আগুন লাগে, সেখানে আমদানি করা পণ্য রাখা হয়।

আগুন লাগার পর দূর থেকেও প্রচুর ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়। সেখানে উৎসুক জনতার ভিড় লাগায় বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে মাইকিং করে সবাইকে সরে যেতে বলা হচ্ছিল।
আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনীর দুটি ফায়ার ইউনিটও কাজ করে বলে জানায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর, যোগ দেয় নৌবাহিনীও। দুই প্লাটুন বিজিবির পাশাপাশি আনসার সদস্যরাও নামেন আগুন নেভাতে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : শাহজালালের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আগুন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন