আন্তর্জাতিক, আলোচিত, বাংলাদেশ

বায়ুদূষণ থেকেও অটিজম

বায়ুদূষণের ক্ষতি সম্পর্কে প্রতিনিয়তই চলছে নানা গবেষণা, খোঁজা হচ্ছে প্রতিকার-প্রতিরোধের উপায়। এসব গবেষণায় কিছু নির্মম সত্যও বেরিয়ে আসছে। চীনের সাংহাইয়ে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা জানা গেছে বায়ুদূষণের কারণে শিশুরা পড়তে পারে কঠিন মানসিক পীড়ায়।

 

বায়ুদূষণের সঙ্গে অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডারের যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা। তারা বলছেন, জীবনের একেবারে শুরুতে বায়ুদূষণের শিকার হলে, দেখা দিতে পারে বিপদ।

 

কারণটা হলো, শিশুবেলায় মানুষের স্নায়ুতন্ত্রের অপূর্ণ বিকাশ। গর্ভাবস্থায় অথবা জন্মের প্রথম বছরে বায়ুদূষণের শিকার হলে, মস্তিষ্কের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এক স্নায়ুর সঙ্গে আরেক স্নায়ুর যোগাযোগ রক্ষার ব্যবস্থা। এতেই দেখা দিতে পারে অটিজম।

 

মোনাশ ইউনিভার্সিটির স্কুল অব পাবলিক হেলথ অ্যান্ড প্রিভেন্টিভ মেডিসিন প্রায় দেড় হাজার শিশুর ওপর এই গবেষণা চালায়। এতে সাংহাইয়ের বিভিন্ন কিন্ডার গার্টেন ও প্রাথমিক স্কুলের ৩ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের সঙ্গে ১২৪টি অটিজমের কেস তুলনা করে দেখা হয়। এসব শিশুদের আগে কখনো অটিজমের পরীক্ষা করা হয়নি।

 

গবেষকরা দেখেছেন, যেসব শিশু যত বেশি বায়ুদূষণের শিকার, তাদের অটিজমে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তত বেশি। শিশুর বয়স যখন দুই বা তিন বছর, তখন এই ঝুঁকির মাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি।

 

গবেষণার প্রধান ইউমিং গুও জানান, সামান্য মাত্রার বায়ুদূষণও অপরিণত জন্ম, শিক্ষাগ্রহণের ক্ষমতায় বিলম্ব ও হৃদরোগের মতো গুরুতর রোগে আক্রান্ত হতে পরে শিশু। দূষিত পরিবেশে মস্তিষ্কের বিকাশ ব্যাহত হতে পারে মারাত্মকভাবে।

 

বাতাসে কী দূষণকারী পদার্থ আছে তাও কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিবেচ্য। আরেকটি গবেষণায় জানা গেছে, বাতাসে ডাইঅক্সিন থাকলে তা অটিজমের সম্ভাবনা তৈরি করে। আরেক গবেষণা বলছে, কীটনাশক ডিডিটি-র কারণেও ঘটতে পারে একই বিপদ।

 

 

মাহা/শাই/ফই

LIVE
Play
সেন্ট মার্টিন’স-এ পর্যটক নিয়ন্ত্রণ কেন জরুরি
একনজরে মুহাম্মাদ সা.
আমি এখনো আপনার গান শুনছি
ঢাকার ইতিহাস: জীবনদায়ী মিটফোর্ড হাসপাতাল