বাংলাদেশ

‘আমাকে কুমুদিনী স্কুলে ভর্তি করাতে চেয়েছিলেন বাবা’

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের কুমুদিনী কমপ্লেক্সে স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন ‘এখানে একবার এসেছিলাম, সেটা ৫৬ বা ৫৭ সালে। আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মাসহ সবাই এসেছিলেন। এই স্কুল, হাসপাতাল সব ঘুরে ঘুরে দেখেছেন তারা। খুব ছায়ার মতো আমার এইটুকু স্মৃতি মনে আছে।

 

আজ বৃহস্পতিবার মির্জাপুরে কুমুদিনী কমপ্লেক্সে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানে এ সব কথা বলেন তিনি।

 

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও জানান, কুমুদিনী এত সুন্দর দেখে বাবা বলেছিলেন- আমাকে এই স্কুলে ভর্তি করে দেবেন। তবে হোস্টেলে রেখে পড়ানোতে আমার মায়ের খুব একটা ইচ্ছা ছিল না।

 

এর পর ‘৫৮ সালে মার্শাল ল হয়। আমার বাবাকে জেলে নিয়ে যায়। আমাদের পড়াশোনা এমনিতেই বন্ধ। কাজেই আর আসা হয়নি। তবে ‘৮১ সালে দেশে ফেরার পর আমি অনেকবারই এসেছি, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

 

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের কুমুদিনী কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে পৌঁছেই ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু ভিআইপি অডিটরিয়ামসহ ১৪টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ১৭টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।

 

এছাড়া মির্জাপুরে কুমুদিনী কমপ্লেক্সে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা স্বর্ণপদক প্রদান করেন শেখ হাসিনা।

 

এ বছর যে চার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা স্বর্ণপদক দেয়া হলো, তারা হলেন- পূর্ব পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (মরণোত্তর), জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর), নজরুল গবেষক প্রফেসর রফিকুল ইসলাম ও বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দীন আহমেদ।

 

সোহরাওয়ার্দীর পক্ষে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ রেহানা এবং জাতীয় কবির পক্ষে কবির নাতনি খিলখিল কাজী প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে স্বর্ণপদক গ্রহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ছেলে রাশেদ সোহরাওয়াদী পুরস্কার নিতে লন্ডন থেকে বাংলাদেশে আসতে চেয়েছিলেন। তবে তিনি কিছু দিন আগে মৃত্যুবরণ করায় তার পক্ষে শেখ রেহানা পুরস্কার গ্রহণ করেন।

 

ফই/তুখ/

 

 

 

LIVE
Play
আকাশের আত্মহত্যা ও পুরুষতান্ত্রিক তসলিমা নাসরিন
লাল সবুজের পতাকা কন্যা নাজমুন নাহার দেশ দেশান্তে!
‘বিএনপির মৌসুমীরা’ আওয়ামী লীগে মৌসুমী পাখি!
অ্যাডভেনচারের নেশায় | পর্ব ৩